×
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬

তালিকাভুক্ত কোম্পানির আর্থিক হিসাবে উন্নতি, ৮ অক্টোবর আসছে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত

২০২৬ অক্টোবর ০১ ১৫:৫৬:৫৭
তালিকাভুক্ত কোম্পানির আর্থিক হিসাবে উন্নতি, ৮ অক্টোবর আসছে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক : চলতি সময়ে মুনাফার ধারাবাহিক উন্নতির চিত্র দেখা যাচ্ছে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ডোরিন পাওয়ার জেনারেশনস অ্যান্ড সিস্টেমস লিমিটেডের আর্থিক প্রতিবেদনে। একই সঙ্গে কোম্পানিটি বিগত অর্থবছরে নরসিংদীর ২২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্রের সম্পদ বিক্রি, তিন সহযোগী কোম্পানিকে একীভূত করার প্রস্তাব এবং নতুন আর্থিক কাঠামো তৈরির মতো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ। ফলে ডোরিন পাওয়ারের আর্থিক কর্মদক্ষতার পাশাপাশি সামনে আসন্ন বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন ও ডিভিডেন্ড ঘোষণার দিকেও এখন নজর রয়েছে।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস বেড়ে ৪ টাকা ১৬ পয়সায় দাঁড়িয়েছে, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৩ টাকা ৫ পয়সাা। একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য বা এনএভিও বেড়েছে। তবে পরিচালন নগদ প্রবাহের ক্ষেত্রে আগের বছরের তুলনায় কিছুটা চাপ তৈরি হয়েছে।

নয় মাসে ইপিএস বেড়েছে ১ টাকা ১১ পয়সা

ডোরিন পাওয়ারের তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, জানুয়ারি-মার্চ ২০২৬ সময়ে কোম্পানিটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ১১ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে এই ইপিএস ছিল ১ টাকা ৪ পয়সা।

অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে তৃতীয় প্রান্তিকে ইপিএস বেড়েছে ৭ পয়সা।

অন্যদিকে, ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত নয় মাসে কোম্পানিটির সমন্বিত ইপিএস দাঁড়িয়েছে ৪ টাকা ১৬ পয়সা। আগের অর্থবছরের একই সময়ে, অর্থাৎ জুলাই ২০২৪ থেকে মার্চ ২০২৫ পর্যন্ত, এই ইপিএস ছিল ৩ টাকা ৫ পয়সা।

এ হিসাবে নয় মাসে ইপিএস বেড়েছে ১ টাকা ১১ পয়সা।

তবে একই সময়ে সমন্বিত এনওসিএফপিএস বা শেয়ারপ্রতি নিট পরিচালন নগদ প্রবাহ কমেছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে এনওসিএফপিএস হয়েছে ৪ টাকা ৮৪ পয়সা, যেখানে আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১১ টাকা ২৮ পয়সা।

কোম্পানির দেওয়া ব্যাখ্যা অনুযায়ী, গত বছরের তুলনায় বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড বা বিপিডিবির কাছ থেকে রাজস্ব বিল বাবদ অর্থ গ্রহণ কমে যাওয়ায় এনওসিএফপিএস হ্রাস পেয়েছে।

৩১ মার্চ ২০২৬ তারিখে কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য বা এনএভি দাঁড়িয়েছে ৫৬ টাকা ২৬ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ তারিখে এটি ছিল ৫২ টাকা ৪৩ পয়সা।

দ্বিতীয় প্রান্তিকেও ইপিএস ও নগদ প্রবাহে উন্নতি

২০২৫ সালের অক্টোবর-ডিসেম্বর প্রান্তিকে ডোরিন পাওয়ারের সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ২৪ পয়সা। আগের বছরের একই প্রান্তিকে ইপিএস ছিল ৫৩ পয়সা।

এ ছাড়া জুলাই-ডিসেম্বর ২০২৫—অর্থাৎ প্রথম ছয় মাসে—কোম্পানিটির সমন্বিত ইপিএস দাঁড়ায় ৩ টাকা ৫ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ২ টাকা ১ পয়সা।

প্রথম ছয় মাসে সমন্বিত এনওসিএফপিএস হয়েছে ২ টাকা ৫৩ পয়সা, যেখানে আগের বছরের একই সময়ে ছিল মাত্র ৪২ পয়সা।

এই সময়ে পুনর্মূল্যায়নসহ সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য বা এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৫৫ টাকা ১৫ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ তারিখে তা ছিল ৫২ টাকা ৪৩ পয়সা।

কোম্পানির ব্যাখ্যা অনুযায়ী, বাংলাদেশি টাকা মার্কিন ডলার ও ইউরোর বিপরীতে তুলনামূলক স্থিতিশীল থাকায় মুদ্রা বিনিময়জনিত লোকসান কমেছে। এর ফলে অর্থায়ন ব্যয় কমে যাওয়ায় ইপিএস বেড়েছে। একই সঙ্গে গত বছরের তুলনায় বিপিডিবি থেকে রাজস্ব বিল বাবদ অর্থপ্রাপ্তি বাড়ায় এনওসিএফপিএসে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে।

প্রথম প্রান্তিকেও ইপিএস ছিল ঊর্ধ্বমুখী

২০২৫ সালের জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে ডোরিন পাওয়ারের সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৮১ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে এই ইপিএস ছিল ১ টাকা ৪৮ পয়সা।

তবে ওই প্রান্তিকে এনওসিএফপিএস ছিল ঋণাত্মক ৫ টাকা ৯৩ পয়সা, যেখানে আগের বছরের একই সময়ে তা ছিল ঋণাত্মক ১৫ টাকা ৮৮ পয়সা।

৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য বা এনএভি ছিল ৫৪ টাকা ২৪ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ তারিখে এনএভি ছিল ৫২ টাকা ৪৩ পয়সা।

কোম্পানির মতে, বাংলাদেশি টাকার বিপরীতে মার্কিন ডলার ও ইউরোর বিনিময় হার স্থিতিশীল থাকায় মুদ্রা বিনিময়জনিত লোকসান কমেছে। এতে অর্থায়ন ব্যয় কমে ইপিএস বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে।

নরসিংদীর ২২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র বিক্রি করবে কোম্পানি

ডোরিন পাওয়ার তাদের নরসিংদী ২২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্রের স্থায়ী সম্পদ বিক্রির সিদ্ধান্ত জানিয়েছে।

কোম্পানির তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড বা বিআরইবির সঙ্গে বিদ্যুৎকেন্দ্রটির ১৫ বছরের চুক্তির মেয়াদ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। কোম্পানি ওই চুক্তি আর নবায়ন করতে আগ্রহী নয়। এ কারণে কেন্দ্রটির সব স্থায়ী সম্পদ বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এর ধারাবাহিকতায় ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠিত পরিচালনা পর্ষদের সভায় কেপিআই ট্রেডিংয়ের সঙ্গে একটি বিক্রেতা চুক্তি বা ভেন্ডরস এগ্রিমেন্ট সম্পাদনের অনুমোদন দেওয়া হয়।

চুক্তির আওতায় নরসিংদী ২২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্রের জেনারেটর, ট্রান্সফরমার, রেডিয়েটর ও বায়ু চলাচল ব্যবস্থা, ইঞ্জিন হল ও অন্যান্য ভবনসহ সব বৈদ্যুতিক তার, সুইচগিয়ার, প্যানেল, ব্যাটারি, সরঞ্জাম ও আনুষঙ্গিক উপকরণ বিক্রি করা হবে।

এসব সম্পদের মোট বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ কোটি ২০ লাখ টাকা।

তিন সহযোগী কোম্পানিকে একীভূত করার প্রস্তাব

ব্যবসার কাঠামো পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে ডোরিন পাওয়ার আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

৭ জুন ২০২৬ অনুষ্ঠিত পরিচালনা পর্ষদের সভায় ডোরিন পাওয়ার জেনারেশনস অ্যান্ড সিস্টেমস লিমিটেড বা ডিপিজিএসএলের সঙ্গে এর তিন সহযোগী প্রতিষ্ঠান—চাঁদপুর পাওয়ার জেনারেশনস লিমিটেড বা সিপিজিএল, ঢাকা নর্দার্ন পাওয়ার জেনারেশনস লিমিটেড বা ডিএনপিজিএল এবং ঢাকা সাদার্ন পাওয়ার জেনারেশনস লিমিটেড বা ডিএসপিজিএল—একীভূত করার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।

কোম্পানি আইন, ১৯৯৪-এর সংশ্লিষ্ট বিধানের আওতায় এই একীভূতকরণ প্রস্তাব করা হয়েছে।

তবে প্রস্তাবটি এখনো চূড়ান্ত নয়। সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর শেয়ারহোল্ডার ও ঋণদাতাদের অনুমোদন, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন বা বিএসইসির অনুমোদন এবং কোম্পানি আইন, ১৯৯৪ অনুযায়ী বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদনসহ বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে হবে।

প্রস্তাবিত একীভূতকরণে সহযোগী কোম্পানিগুলোর সংখ্যালঘু শেয়ারহোল্ডারদের নগদ অর্থ প্রদান করা হবে। তাদের সঙ্গে কোনো শেয়ার বিনিময় করা হবে না। ফলে ডোরিন পাওয়ারের বর্তমান শেয়ারহোল্ডিং কাঠামো অপরিবর্তিত থাকবে।

কোম্পানির ভাষ্য অনুযায়ী, সব পরিচালন সম্পদ ও কার্যক্রম একটি প্রতিষ্ঠানের অধীনে নিয়ে আসার মাধ্যমে আরও কার্যকর ও টেকসই ব্যবসায়িক কাঠামো তৈরি করাই এই একীভূতকরণের লক্ষ্য।

এর মাধ্যমে পরিচালন দক্ষতা বাড়ানো, ব্যবস্থাপনা তদারকি শক্তিশালী করা এবং প্রশাসনিক ও নিয়ন্ত্রক ব্যয় কমানোর প্রত্যাশা করছে কোম্পানি। পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদে প্রবৃদ্ধি ও বিনিয়োগের সুযোগ তৈরিতেও এই পদক্ষেপ সহায়ক হবে বলে জানিয়েছে ডোরিন পাওয়ার।

ক্রেডিট রেটিং ‘এ’, দৃষ্টিভঙ্গি স্থিতিশীল

ডোরিন পাওয়ারকে দীর্ঘমেয়াদে ‘এ’ এবং স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-৩’ ক্রেডিট রেটিং দিয়েছে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস পিএলসি বা ক্রিসল। কোম্পানিটির দৃষ্টিভঙ্গি রাখা হয়েছে স্থিতিশীল।

৩০ জুন ২০২৫ পর্যন্ত নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক তথ্য এবং রেটিং ঘোষণার তারিখ পর্যন্ত অন্যান্য প্রাসঙ্গিক পরিমাণগত ও গুণগত তথ্য বিবেচনায় নিয়ে এই রেটিং দেওয়া হয়েছে।

৮ অক্টোবর বোর্ড সভা, আসছে ২০২৬ সালের জন্য গুরুত্বপুর্ণ সিদ্ধান্ত

আগামী ৮ অক্টোবর ২০২৬ বিকেল সাড়ে ৩টায় কোম্পানিটির বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হবে।

সভায় ৩০ জুন ২০২৬ সমাপ্ত বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক পর্যালোচনা করে ডিভিডেন্ড ঘোষণা করা হবে।

এই সভার পরই ২০২৫-২৬ অর্থবছরের পূর্ণাঙ্গ আর্থিক ফলাফল এবং ডিভিডেন্ড সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।

৩০ জুন ২০২৫ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ডোরিন পাওয়ারের পরিচালনা পর্ষদ স্পনসর ও পরিচালক বাদে সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড সুপারিশ করেছিল।

অর্থাৎ প্রতি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের শেয়ারের বিপরীতে নগদ ডিভিডেন্ড ছিল ১ টাকা।

এবার ডিভিডেন্ড কত হতে পারে?

এবারের ডিভিডেন্ড নিয়ে এখনই নির্দিষ্ট অঙ্ক ঘোষণা করা সম্ভব নয়, কারণ ২০২৫-২৬ অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী এবং পরিচালনা পর্ষদের চূড়ান্ত সুপারিশ এখনো প্রকাশিত হয়নি।

তবে প্রকাশিত নয় মাসের হিসাব থেকে দেখা যায়, কোম্পানির সমন্বিত ইপিএস ৩ টাকা ৫ পয়সা থেকে বেড়ে ৪ টাকা ১৬ পয়সাা হয়েছে এবং শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য বা এনএভি ৫২ টাকা ৪৩ পয়সা থেকে বেড়ে ৫৬ টাকা ২৬ পয়সা হয়েছে। অর্থাৎ মুনাফা ও নিট সম্পদমূল্যের উভয় ক্ষেত্রেই উন্নতি হয়েছে।

বিপরীতে, একই সময়ে এনওসিএফপিএস ১১ টাকা ২৮ পয়সা থেকে কমে ৪ টাকা ৮৪ পয়সায় নেমেছে, যা নগদ প্রবাহের ক্ষেত্রে সতর্কতার বিষয়।

শুধু হিসাবভিত্তিক উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, গত বছরের মতো ১০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড বজায় রাখা হলে প্রতি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের শেয়ারে ১ টাকা ডিভিডেন্ড হবে। আর কোম্পানি যদি আগের ১০ শতাংশের তুলনায় বেশি হারে ডিভিডেন্ড নির্ধারণ করে, তাহলে সেই অঙ্ক ১ টাকার ওপরে যেতে পারে।

তবে এটি কোনো ঘোষিত বা নিশ্চিত ডিভিডেন্ড নয়। প্রকৃত ডিভিডেন্ডের পরিমাণ নির্ভর করবে ৮ অক্টোবরের পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত, পূর্ণ বছরের নিরীক্ষিত মুনাফা, নগদ প্রবাহ, ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ এবং কোম্পানির ডিভিডেন্ড নীতির ওপর।

সব মিলিয়ে ডোরিন পাওয়ারের প্রকাশিত আর্থিক তথ্যে একদিকে ইপিএস ও এনএভি বৃদ্ধির ইতিবাচক চিত্র রয়েছে, অন্যদিকে বিপিডিবি থেকে বিল আদায়ের পরিবর্তনের কারণে পরিচালন নগদ প্রবাহে ওঠানামা দেখা গেছে। এর সঙ্গে নরসিংদী বিদ্যুৎকেন্দ্রের সম্পদ বিক্রি এবং তিন সহযোগী কোম্পানিকে একীভূত করার প্রস্তাব কোম্পানির ভবিষ্যৎ ব্যবসায়িক কাঠামোতেও পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

ফলে ৮ অক্টোবরের পরিচালনা পর্ষদের সভায় পূর্ণ বছরের আর্থিক ফলাফল এবং ডিভিডেন্ডের সিদ্ধান্তই এখন ডোরিন পাওয়ারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পরবর্তী ঘোষণা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এসএ খান/

শেয়ারনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

পাঠকের মতামত:

শেয়ারবাজার এর সর্বশেষ খবর

শেয়ারবাজার - এর সব খবর

উ
প
রে