ঢাকা, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

গাজীপুর-টঙ্গী ঘুরে শেষে যেভাবে ধরা পড়লেন শিক্ষক

২০২৬ মে ০৬ ১৭:৩০:১১
গাজীপুর-টঙ্গী ঘুরে শেষে যেভাবে ধরা পড়লেন শিক্ষক

নিজস্ব প্রতিবেদক: নেত্রকোনার মদন উপজেলায় আলোচিত শিশু অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত মাদরাসা শিক্ষক গ্রেপ্তার এড়াতে একের পর এক স্থান পরিবর্তন করছিলেন। এমনকি ট্র্যাকিং এড়াতে তিনি মোবাইল ফোনও ব্যবহার করতেন না বলে জানিয়েছে র‍্যাব-১৪।

মঙ্গলবার (৫ মে) রাতে গৌরীপুর উপজেলা-এর সোনামপুর এলাকা থেকে র‍্যাবের একটি দল তাকে গ্রেপ্তার করে। জানা যায়, মামলার পর তিনি গাজীপুর, টঙ্গী হয়ে শেষ পর্যন্ত গৌরীপুরে আত্মগোপনে ছিলেন।

বুধবার দুপুরে ময়মনসিংহ নগরের আকুয়া বাইপাস এলাকায় র‍্যাব-১৪ কার্যালয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে সংস্থাটির অধিনায়ক নায়মুল হাসান জানান, গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে অভিযুক্তের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত তেমন কোনো তথ্য দেননি। তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং প্রয়োজন হলে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

মামলার এজাহার ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত শিক্ষক চার বছর আগে মদন উপজেলা-এ একটি মহিলা কওমি মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেন। ভুক্তভোগী শিশুটি নানার বাড়িতে থেকে সেখানে পড়াশোনা করত।

শিশুটির মা জীবিকার তাগিদে সিলেটে কাজ করতেন। সম্প্রতি মেয়ের শারীরিক পরিবর্তন দেখে সন্দেহ হলে তাকে চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হয়। গত ১৮ এপ্রিল পরীক্ষার পর জানা যায়, শিশুটি অন্তঃসত্ত্বা। পরে এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়।

মামলার পর থেকেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযুক্তকে ধরতে অভিযান চালাচ্ছিল। এর মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে অভিযুক্ত নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন।এদিকে শিশুটির অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা চিকিৎসক হুমকি ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে, যা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

ওমর আলী/

শেয়ারনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

পাঠকের মতামত:

জাতীয় এর সর্বশেষ খবর

জাতীয় - এর সব খবর



রে