ঢাকা, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬
Sharenews24

আজ ঐতিহাসিক বদরযুদ্ধের দিন

২০২৬ মার্চ ০৭ ১৩:২৩:৫২
আজ ঐতিহাসিক বদরযুদ্ধের দিন

নিজস্ব প্রতিবেদক : আজ ১৭ রমজান, ইসলামের ইতিহাসে বিশেষ একটি দিন—বদরযুদ্ধ দিবস। হিজরি দ্বিতীয় বর্ষের এই দিনে মদিনা থেকে প্রায় ৮০ মাইল দূরে বদর প্রান্তর-এ মুসলিম ও কুরাইশদের মধ্যে প্রথম বড় আকারের সামরিক লড়াই অনুষ্ঠিত হয়।

মদিনায় হিজরতের পর মুসলমানরা স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করলেও, কুরাইশদের ষড়যন্ত্র ও শত্রুতা থামেনি। বদর যুদ্ধে মূল কারণগুলো ছিল:কুরাইশদের দস্যুবৃত্তি ও ষড়যন্ত্র – মুসলিমদের আতঙ্কিত করার চেষ্টা।নাখলার খণ্ডযুদ্ধ – আবদুল্লাহ ইবনে জাহাশের নেতৃত্বে একটি মুসলিম দল কুরাইশদের কাফেলা আক্রমণ করে।

আবু সুফিয়ানের বাণিজ্যিক কাফেলা – কুরাইশরা অর্থ সংগ্রহ করে মুসলিমদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে চেয়েছিল।আবু জাহেলের দম্ভ – এক হাজার সুসজ্জিত সৈন্য নিয়ে মুসলিমদের নিশ্চিহ্ন করার পরিকল্পনা।

অসম যুদ্ধের পরিসংখ্যান

কুরাইশ সৈন্য: ১,০০০, ১০০টি ঘোড়া, ১৭০টি উট

মুসলিম সৈন্য: ৩১৩, ২টি ঘোড়া, ৭০টি উট

নিহত কুরাইশ: ৭০ জন, মুসলিম শহীদ: ১৪ জন

মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) কৌশলগতভাবে শিবির স্থাপন করেন এবং গুরুত্বপূর্ণ কূপগুলো বন্ধ করে পানির নিয়ন্ত্রণ পান। যুদ্ধ চলাকালীন মুসলিমরা সুশৃঙ্খলভাবে লড়াই চালান। কোরআনে উল্লেখ আছে, আল্লাহ তাদের সাহায্য করতে ফেরেশতা পাঠিয়েছিলেন।বীর হামজা (রা.), আলী (রা.) ও উবাইদা (রা.) কুরাইশ নেতাদের পরাজিত ও হত্যা করেন, এবং মুসলিম বাহিনী বিজয়ী হয়।

বদর যুদ্ধের বিজয় কেবল সামরিক নয়, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ। কুরাইশদের মর্যাদা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তাদের বাণিজ্য পথ অনিরাপদ হয়ে পড়ে। মুসলিম সম্প্রদায়ের আত্মবিশ্বাস, ঐক্য ও ইসলামের প্রসার দৃঢ় হয়। ইতিহাসে বদর যুদ্ধকে ‘ইয়াওমুল ফুরকান’ বা ‘সিদ্ধান্তের দিন’ হিসেবেও উল্লেখ করা হয়।

মুসআব/

শেয়ারনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

পাঠকের মতামত:

ধর্ম ও জীবন এর সর্বশেষ খবর

ধর্ম ও জীবন - এর সব খবর



রে