ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
Sharenews24

সদকাতুল ফিতরের টাকার পরিমাণ

২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৪ ১৫:৩৯:৫২
সদকাতুল ফিতরের টাকার পরিমাণ

নিজস্ব প্রতিবেদক : ইসলামি শরিয়তে ফিতরা দেওয়া ওয়াজিব। রাসুল (সা.) বলেছেন, ফিতরা দেওয়ার দুটি মূল উদ্দেশ্য রয়েছে: প্রথম, মাহে রমজানকে অশ্লীলতা ও অর্থহীন কাজ থেকে পবিত্র করা; দ্বিতীয়, গরিব ও মিসকিনদের খাদ্যের ব্যবস্থা করা।(সূত্র: সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ১৬০৯)

যেসব মুসলিমের মালিকানায় মৌলিক প্রয়োজনের অতিরিক্ত সম্পদ রয়েছে, তাদের ওপর ফিতরা ওয়াজিব। সুস্থ, বালেগ বা মুকিম হওয়া শর্ত নয়; অবুঝ, নাবালেগ, মুসাফির বা মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তিও নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হলে ফিতরা দিতে হবে। নাবালেগ বা মানসিক ভারসাম্যহীনের জন্য অভিভাবক তাদের পক্ষ থেকে ফিতরা আদায় করবেন।

সদকাতুল ফিতর আদায় করা যেতে পারে গম, যব, খেজুর, কিশমিশ বা পনিরের মাধ্যমে।

যব, খেজুর, কিশমিশ ও পনির: এক সা ≈ ৩.২৭১ কেজি

গম (ময়দা/আটা): আধা সা ≈ ১.৬৩৬ কেজি

১ সা = ২৮০.৫০ তোলা ≈ ৩২৭০.৬ গ্রাম

আধা সা = ১৬৩৫.৩ গ্রাম ≈ ১.৬৩৬ কেজি

(সূত্র: সহিহ বোখারি, সুনানে তিরমিজি, মুসনাদে আহমদ)

ফিতরার টাকার হিসাব (বাংলাদেশ মানে)

আটা: প্রতি কেজি ৬০ টাকা → ৯৮.১৬ টাকা

কিশমিশ: প্রতি কেজি ৫৫০ টাকা → ১,৭৯৯.০৫ টাকা

পনির: প্রতি কেজি ১,৫০০ টাকা → ৪,৯০৬.৫ টাকা

খেজুর: প্রতি কেজি ৩০০ টাকা → ৯৮১.৩ টাকা

যব: প্রতি কেজি ১৩৫ টাকা → ৪৪১.৫৮৫ টাকা

হাদিসে ফিতরা আদায়ের নির্দেশ

রাসুলুল্লাহ (সা.) ছোট-বড়, পুরুষ-মহিলা, স্বাধীন-গোলাম—সবার ওপর ফিতরা আদায়ের নির্দেশ দিয়েছেন। উদাহরণস্বরূপ, হজরত আবু সাঈদ খুদরি ও হজরত আসমা (রা.) বর্ণনা করেছেন যে, তিনি এবং সঙ্গীরা রমজানের শেষ দিনে ফিতরা আদায় করতেন।

মুসআব/

শেয়ারনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

পাঠকের মতামত:

ধর্ম ও জীবন এর সর্বশেষ খবর

ধর্ম ও জীবন - এর সব খবর



রে