জুনেই ব্যাংকের দুর্দশাগ্রস্থ সম্পদ প্রকাশ করতে হবে
নিজস্ব প্রতিবেদক : আগামী জুনের মধ্যেই আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিলের (আইএমএফ) ব্যাংক খাতে দেওয়া একটি কঠিন শর্ত বাস্তবায়ন করতে হবে। আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং ঝুঁকি মোকাবিলার রীতি ব্যাসেল-৩ এর মানদণ্ড অনুযায়ী বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর দুর্দশাগ্রস্ত সম্পদের তথ্য প্রকাশ করতে হবে।
ওই মানদণ্ডে এ সম্পদের তথ্য প্রকাশ করলে তা অনেক বেড়ে যাবে। একই সঙ্গে ব্যাংক খাতের ঝুঁকির মাত্রা বৃদ্ধির প্রবণতাও বেরিয়ে পড়বে। এতে ব্যাংক খাত দেশের ভেতরে যেমন ইমেজ সংকটে পড়বে। তেমনি বিদেশেও প্রশ্নবিদ্ধ হবে ভাবমূর্তি।
ফলে বিশেষ করে বৈদেশিক বাণিজ্যে বা আমদানির এলসি খোলার ক্ষেত্রে বাড়তি ফি বা কমিশন নিতে হবে। এতে ব্যবসা খরচ বেড়ে যাবে।
সূত্র জানায়, আইএমএফ থেকে সরকার ৪৭০ কোটি ডলারের যে ঋণ নিয়েছে তার মধ্যে বেশ কিছু শর্ত আছে। এর মধ্যে জুনের মধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর দুর্দশাগ্রস্ত সম্পদের তথ্য প্রকাশ করতে হবে। এটি সাধারণ হিসাবে করলে হবে না। ব্যাসেল-৩ এর নীতিমালার মানদণ্ড অনুযায়ী প্রকাশ করতে হবে। এখনও ওই নীতিমালার আলোকে ব্যাংকগুলোর দুর্দশাগ্রস্ত সম্পদের হিসাব তৈরি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
তবে এতে ওই নীতিমালা পুরোপুরি মানা হয় না। একই সঙ্গে সরাসরি ওই সম্পদের হিসাব প্রকাশও হয় না। ওই নীতিমালা মেনে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে দুর্দশাগ্রস্ত সম্পদের তথ্য প্রকাশ করলে তা অনেক বেড়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
তবে ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদের বিপরীতে মূলধন পর্যাপ্ততার তথ্য প্রকাশ করা হয় গড় ভিত্তিতে। একই সঙ্গে ব্যাংকের আয় ও ব্যয়ের তথ্যও প্রকাশ করা হয়।
সংশ্লিষ্টরা জানান, ব্যাংকের দুর্দশাগ্রস্ত সম্পদের পরিমাণ বাড়লে একদিকে প্রভিশন ঘাটতি বেড়ে যাবে। ফলে মূলধন ঘাটতিও বাড়বে। এ দুটো বাড়লে ব্যাংকগুলোর দুর্বলতা আরও বেশি করে প্রকাশ হয়ে যাবে। এতে দেশের পাশাপাশি বিদেশেও বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের সার্বিক অবস্থা নিয়ে সংশয় দেখা দিতে পারে। তখন অনেক ব্যাংক বিশেষ করে বৈদেশিক এলসি খোলার তৃতীয় পক্ষীয় গ্যারান্টি আরোপ করতে পারে।
এর কারণে গ্যারান্টিদাতা ব্যাংককে বাড়তি কমিশন দিতে হবে। এতে আমদানির খরচ বেড়ে যাবে। সার্বিকভাবে ব্যবসার খরচ বেড়ে যাবে। এতে একদিকে ব্যবসায়ীরা যেমন আক্রান্ত হবেন, তেমনি পণ্যের দাম বেড়ে গিয়ে ভোক্তারাও বিপাকে পড়তে পারেন।
সূত্র জানায়, কেন্দ্রীয় ব্যাংক ইতোমধ্যে ব্যাসেল-৩ এর মানদণ্ড অনুযায়ী ব্যাংকগুলোর ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদের তথ্য তৈরি করছে। এর আলোকে প্রভিশন ঘাটতি ও মূলধন ঘাটতির তথ্যও তৈরি করছে।
তাদের মতে, ওই মানদণ্ডে দুর্দশাগ্রস্ত সম্পদের পরিমাণ খুব বেশি বাড়বে না। দুর্দশাগ্রস্ত সম্পদের বড় অংশই হচ্ছে খেলাপি ঋণ। খেলাপি ঋণ এখন কমতে শুরু করেছে। ব্যাংকগুলোতে তদারকিও বাড়ানো হয়েছে। খেলাপি ঋণ আদায় বাড়াতে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এসব কারণে দুর্দশাগ্রস্ত সম্পদের পরিমাণও কমে যাবে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক জুনের মধ্যেই হয়তো ওই তথ্য প্রকাশ করবে না। আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা করে আরও একটু সময় নেওয়া হবে। এ বছরের শেষ দিকে এ তথ্য প্রকাশ করা হতে পারে।
এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ব্যাংক খাতের সঠিক চিত্র প্রকাশ করা উচিত। এতে বিভ্রান্তি যেমন দূর হবে, তেমনি ব্যাংকগুলোর প্রকৃত অবস্থা জানা যাবে। আইএমএফের শর্তের কারণে এখন কিছু তথ্য প্রকাশ হচ্ছে। কিন্তু এটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিজ থেকেই করা উচিত।
দুর্দশাগ্রস্ত সম্পদ সম্পর্কে তিনি বলেন, ঋণ বিতরণে জালিয়াতি, নিয়ম মেনে বিতরণ না করার কারণে ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণ বাড়ছে। এ কারণে দুর্দশাগ্রস্ত সম্পদ বেড়ে যাচ্ছে। ব্যাংকে সুশাসন প্রতিষ্ঠা হলে এগুলো হতো না। এখন সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও ব্যাংকগুলোর প্রকৃত চিত্র তুলে ধরলেই বিভ্রান্তি দূর হবে।
ব্যাসেল-৩ নীতিমালার আলোকে একটি ব্যাংকের মোট ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের বিপরীতে কমপক্ষে ১০ শতাংশ বা ৫০০ কোটি টাকা এর মধ্যে যেটি বেশি, তা ন্যূনতম মূলধন হিসাবে রাখতে হবে। এর বাইরে বাংলাদেশে প্রতিটি ব্যাংককে আপৎকালীন সুরক্ষা দিতে অতিরিক্ত আরও আড়াই শতাংশ হারে মূলধন রাখার নির্দেশনা রয়েছে। এখন ১৪টি ব্যাংক চাহিদা অনুযায়ী মূলধন রাখতে ব্যর্থ হয়েছে। কিছু ব্যাংক প্রয়োজনের তুলনায় বেশি মূলধন রেখেছে।
এর আগে আইএমএফের শর্ত অনুযায়ী গত বছরের আগস্টে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বার্র্ষিক আর্থিক স্থিতিশীলতা প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। এতে তাদের শর্তে ঋণ পুনঃতফশিলের তথ্য প্রকাশ করা হয়। যা আগে হতো না। এতে ব্যাংক খাতের ভয়ংকর কিছু তথ্য প্রকাশিত হয়ে পড়ে। এর মধ্যে ছিল ২০২২ সালে ৬৪ হাজার কোটি টাকার খেলাপি ঋণ বিশেষ ছাড় দিয়ে নবায়ন করা হয়েছে।
এর আগের বছর ২০২১ সালে নবায়ন করা হয়েছিল প্রায় ২৭ হাজার কোটি টাকা। এক বছরের ব্যবধানে খেলাপি ঋণ নবায়ন বেড়েছিল প্রায় পৌনে তিনগুণ। এতেও খেলাপি ঋণের তথ্যে লাগাম টানা সম্ভব হয়নি।
আইএমএফের পরামর্শে এখন তিন মাস পরপর জিডিপির হিসাব প্রকাশ করা হচ্ছে। এতে দেখা যাচ্ছে, জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার কমে যাচ্ছে। এর আগে জিডিপির হিসাব নিয়ে আইএমএফ প্রশ্ন তুলেছিল। তাদের পরামর্শে এখন মূল্যস্ফীতির হিসাবও করা হচ্ছে। ফলে মূল্যস্ফীতির হার কমছে না, বরং বাড়ছে। এর আগে পণ্যমূল্য বাড়ার পরও মূল্যস্ফীতির হার কমার নজির ছিল। এ নিয়ে আইএমএফও প্রশ্ন তুলেছিল।
তাদের শর্তে ডলারের দাম কিছুটা বাজারভিত্তিক করায় এর দাম বেড়েছে। তারা একে আরও বাজারভিত্তিক করে দাম আরও বাড়াতে বলেছে। ঋণের সুদ হারের করিডর ঘোষণা করায় এর হার বেড়ে যাচ্ছে।
এসব অভিজ্ঞতা থেকে সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, ব্যাংকের দুর্দশাগ্রস্ত সম্পদের ব্যাপারে এখনই কেন্দ্রীয় ব্যাংককে সতর্ক হতে হবে।
আইএমএফ বলেছে, ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণ ব্যাপকভাবে কমানোর পদক্ষেপ নিতে হবে। ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদের বিপরীতে বা খেলাপি ঋণের বিপরীতে পর্যাপ্ত প্রভিশন বা মূলধন রাখতে হবে। ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদের বিপরীতে প্রভিশন রাখার জন্য সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকগুলোর সঙ্গে সম্পাদিত সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে সমঝোতা স্মারকের শর্ত বাস্তবায়ন করতে হবে।
ব্যাংকিং খাতের জন্য আন্তর্জাতিক অ্যাকাউন্টিং স্ট্যান্ডার্ড বোর্ড দ্বারা প্রণীত আন্তর্জাতিক আর্থিক রিপোর্টিং স্ট্যান্ডার্ড (আইএফআরএস) সিস্টেমস প্রণয়ন করে ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে হবে। এতে ব্যাংকগুলোর হিসাব ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ফিরে আসবে এবং আন্তর্জাতিক মানের হবে। ব্যাংকগুলোর হিসাব ব্যবস্থাপনা নিয়ে খোদ কেন্দ্রীয় ব্যাংকই প্রশ্ন তুলেছে। কারণ তাদের হিসাবে স্বচ্ছতা নেই। এটি বাস্তবায়ন করাও চ্যালেঞ্জিং।
শেয়ারনিউজ, ২৭ এপ্রিল ২০২৪
পাঠকের মতামত:
- সংরক্ষিত নারী আসনে ইন্টারভিউ দিলেন সাড়ে পাঁচশ’ প্রার্থী
- প্রকাশ্যে এসে সত্য প্রকাশ করলেন সেই ইমামের মেয়ে
- ১৯ এপ্রিল এক নজরে স্বর্ণের নতুন দাম
- মক্কায় প্রবেশে নতুন শর্ত, জানুন বিস্তারিত
- তালিকাভুক্ত কোম্পানির ক্রেডিট রেটিং প্রকাশ
- চাকরি হারিয়ে রাস্তায় নামছে এস আলম ব্যাংক কর্মীরা
- ২ লাখ ৬০ হাজার শেয়ার হস্তান্তর সম্পন্ন
- বিশ্ব অর্থনীতিতে হইচই—ইরানের জব্দ সম্পদ নিয়ে বড় দাবি!
- স্ত্রীকে তালাক দিয়ে নতুন বিয়ের প্রস্তুতি, অতঃপর...
- যে পদ্ধতিতে যানজটমুক্ত হবে ঢাকা
- উত্তরা ব্যাংক সিকিউরিটিজে বাড়তি বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত
- বিডি ল্যাম্পসের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- গ্রেপ্তার ঘিরে বিতর্ক, সরকারের কাছে জবাব চায় এনসিপি
- একটি লাইনে ঝড়, তারপর নীরবতা—গুলতেকিনের সিদ্ধান্ত
- ইসরায়েলের তালিকায় বিশ্বজুড়ে ১০ ‘বিতর্কিত’ ইনফ্লুয়েন্সার
- চিফ হুইপকে ব্ল্যাকমেইল; কনটেন্ট ক্রিয়েটর গ্রে/প্তার
- শেষমেশ ক্ষমা চাইলেন রাশেদ প্রধান!
- এসএসসি ২০২৬: নতুন নিয়ম না জানলে বিপদ
- ভেনেজুয়েলায় মাদুরো আটক, ট্রাম্পকে নোবেল
- হরমুজে গুলি! ভারতীয় জাহাজ টার্গেট, উত্তেজনা চরমে
- শিরীন শারমিনের জামিন নিয়ে স্পিকারের গুরুত্বপূর্ণ বার্তা
- দেশে জ্বালানি তেলের নতুন দাম নির্ধারণ
- বাড়লো জ্বালানি তেলের দাম, চাপ বাড়বে ভোক্তার
- হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে উত্তেজনা, ট্রাম্পের সতর্কবার্তা
- পুঁজি বাড়াতে রাইট শেয়ার ইস্যু করছে উত্তরা ব্যাংক সিকিউরিটিজ
- মুনাফায় চমক, ডিভিডেন্ডও বেড়েছে বিএনআইসিএল’র
- আয় বাড়লেও ডিভিডেন্ডে পরিবর্তন নেই সেন্ট্রাল ইন্সুরেন্সের
- আইপিও জালিয়াতির অভিযোগে লাইসেন্স ঝুঁকিতে মার্চেন্ট ব্যাংক
- হরমুজ প্রণালী এবং তেলের যোগসূত্র যা আছে কুরআনে
- ইয়াজুজ-মাজুজের রহস্যময় প্রাচীরের অবস্থান
- দলীয় রাজনীতিতে ফেরা নিয়ে জানালেন রুমিন ফারহানা
- গৃহপরিচারিকা ফাতেমার গল্প শোনালেন প্রধানমন্ত্রী
- ‘বাংলার জয়যাত্রা’ নিয়ে নতুন আপডেট জানালেন মন্ত্রী
- কৃষক কার্ডসহ নতুন সুবিধার তালিকা প্রকাশ
- চলতি সপ্তাহে ৩ কোম্পানির শেয়ারহোল্ডার নির্ধারণ
- চলতি সপ্তাহে ৩ কোম্পানির এজিএম
- শেয়ারবাজার উন্নয়নে জাপানের সঙ্গে ডিবিএর কৌশলগত অংশীদারত্ব
- চলতি সপ্তাহে আসছে ১০ কোম্পানির ডিভিডেন্ড-ইপিএস
- ইউটিউব দেখে অকটেন তৈরির চেষ্টা অতঃপর
- হরমুজ প্রণালিতে নতুন নিয়ম—ইরানের কঠোর বার্তা
- সংরক্ষিত আসনে অভিনেত্রী চমকের চমক!
- পরীক্ষার সময় কমিয়ে বড় সিদ্ধান্ত
- সপ্তাহজুড়ে চার কোম্পানির ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- নেগেটিভ ইক্যুইটি: ৩ ব্রোকারের সময় আবেদন বাতিল, রিভিউতে ২টি
- নিজের অস্ত্রের গুলিতে পুলিশ সদস্যের আত্মহত্যা
- তারেক রহমানকে নিয়ে বিতর্কিত বক্তব্য—ব্যাখ্যায় যা বললেন রাশেদ
- গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে ওবামার প্রচারণা
- আরও ৬ জেলায় চালু ‘ফুয়েল পাস’
- দেয়াল লেখা নিয়ে বিতর্ক—সিসিটিভিতে নতুন সত্য
- ফিনল্যান্ডে নাগরিকত্ব পেতে নতুন শর্ত
- একীভূত পাঁচ ব্যাংক ফিরছে আগের মালিকদের হাতে
- হরমুজে আটকে থাকা বাংলাদেশি জাহাজ নিয়ে বড় ঘোষণা
- ডিভিডেন্ড ঘোষণা ও ইপিএস প্রকাশের তারিখ জানাল ৪ কোম্পানি
- ইস্টার্ন ব্যাংকের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- ডিভিডেন্ড ঘোষণা ও ইপিএস প্রকাশের তারিখ জানাল ৫ কোম্পানি
- ডিভিডেন্ড ঘোষণা ও ইপিএস প্রকাশের তারিখ জানাল ৬ কোম্পানি
- শেয়ারবাজার চাঙা করতে নীতিসহায়তার আশ্বাস
- শেয়ার দাম অস্বাভাবিক বাড়ায় ডিএসইর সতর্কবার্তা
- ডিভিডেন্ড ঘোষণা করবে দুই কোম্পানি
- মিউচ্যুয়াল ফান্ডে স্বচ্ছতা ফেরাতে বিএসইসির নতুন উদ্যোগ
- পিএইচডি করেও পিএস! তীব্র সমালোচনায় ঢাবি শিক্ষক
- এডিবির সহায়তায় শেয়ারবাজারে বড় সংস্কারের পথে বিএসইসি
- ব্যাংক সুদের হার নির্ধারণে বড় পরিবর্তন
- চলতি সপ্তাহে আসছে ১০ কোম্পানির ডিভিডেন্ড-ইপিএস
- গৃহপরিচারিকা ফাতেমার গল্প শোনালেন প্রধানমন্ত্রী
অর্থনীতি এর সর্বশেষ খবর
- চাকরি হারিয়ে রাস্তায় নামছে এস আলম ব্যাংক কর্মীরা
- বিশ্ব অর্থনীতিতে হইচই—ইরানের জব্দ সম্পদ নিয়ে বড় দাবি!













