ঢাকা, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

পিএইচডি করেও পিএস! তীব্র সমালোচনায় ঢাবি শিক্ষক

২০২৬ এপ্রিল ১৭ ১১:২০:৫৭
পিএইচডি করেও পিএস! তীব্র সমালোচনায় ঢাবি শিক্ষক

নিজস্ব প্রতিবেদক: একজন পিএইচডিধারী অধ্যাপককে মন্ত্রীর একান্ত সচিব (পিএস) হিসেবে নিয়োগ দেওয়ায় প্রশ্ন তুলেছেন ড. কামরুল হাসান মামুন, যিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন,“একজন পিএইচডি করা অধ্যাপক মন্ত্রীর পিএস হলে—হয় তিনি অধ্যাপক হওয়ার যোগ্য নন, নতুবা যিনি তাকে নিয়োগ দিয়েছেন, তিনি মন্ত্রী হওয়ার যোগ্য নন।”

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে মন্ত্রীর একান্ত সচিব পদটি অত্যন্ত প্রভাবশালী ও আকর্ষণীয়। এ পদে ক্ষমতা ও অর্থ—দুটোরই সুযোগ থাকে বলে ধারণা করা হয়।

ড. মামুনের ভাষ্য অনুযায়ী, একজন অধ্যাপকের মূল দায়িত্ব গবেষণা করা এবং শিক্ষার্থীদের গবেষণায় উৎসাহিত করা। সেই জায়গা থেকে একজন পিএইচডিধারী অধ্যাপকের এমন পদে যোগদান তাকে বিস্মিত করেছে।

তিনি আরও দাবি করেন, মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠতার সুযোগ নিয়ে ওই অধ্যাপক মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) মহাপরিচালকের অতিরিক্ত দায়িত্বও পেয়েছেন—যা দেশের প্রেক্ষাপটে একটি অত্যন্ত কাঙ্ক্ষিত পদ।

তার মতে, একজন পিএইচডিধারী ব্যক্তি যখন নিজের যোগ্যতার তুলনায় ভিন্ন ধরনের পদে যেতে আগ্রহী হন, তখন তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যোগ্যতা মূল্যায়নের বিষয়টিও এখানে গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন তিনি।

ড. মামুন বলেন, অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়—অধিক যোগ্য প্রার্থীরা সুযোগ পান না, আবার কেউ কেউ নিজের যোগ্যতার তুলনায় ভিন্ন পদে আগ্রহী হন। এর পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য থাকতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।

ওমর আলী/

শেয়ারনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

পাঠকের মতামত:

জাতীয় এর সর্বশেষ খবর

জাতীয় - এর সব খবর



রে