ঢাকা, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
Sharenews24

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার টেলিযোগাযোগ আইনে ঐতিহাসিক সংস্কার

২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১১ ১২:০৫:২২
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার টেলিযোগাযোগ আইনে ঐতিহাসিক সংস্কার

নিজস্ব প্রতিবেদক : অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ আইনে গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার এনেছে, যার মধ্যে সবচেয়ে নজরকাড়া হলো ইন্টারনেট বন্ধ করার ক্ষমতা আইনি কাঠামো থেকে প্রত্যাহার করা। এই সংস্কারের মাধ্যমে নাগরিক সংযোগ, তথ্যপ্রবাহ এবং ডিজিটাল অর্থনীতি এখন আইনি সুরক্ষা পেয়েছে।

এ বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফাইজ আহমদ তৈয়ব ফেসবুকে বলেন, এটি কেবল একটি আইনি পরিবর্তন নয়, বরং রাষ্ট্র ও নাগরিকের সম্পর্ক পুনর্গঠনের একটি সাহসী পদক্ষেপ। তিনি আইনের মূল বৈশিষ্ট্যগুলো তুলে ধরেছেন:

মতপ্রকাশের স্বাধীনতার সুরক্ষা: হেইট স্পিচ কেবল তখনই অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে, যখন সহিংসতা উসকে দেওয়ার সরাসরি সম্পর্ক থাকবে।

নিয়ন্ত্রকের ক্ষমতা পুনর্বহাল: বিটিআরসি’র কার্যকরী ক্ষমতা প্রায় শতভাগ পুনর্বহাল, মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমোদনের বাধ্যবাধকতা কমানো হয়েছে।

বিনিয়োগবান্ধব কাঠামো: জরিমানা কমিয়ে, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি: মন্ত্রণালয় ও বিটিআরসি’র কার্যক্রম পর্যালোচনার জন্য উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কোয়াসি-জুডিশিয়াল কমিটি গঠন।

সংসদীয় জবাবদিহি: নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাছে নিয়মিত প্রতিবেদন দাখিল বাধ্যতামূলক।

আন্তর্জাতিক মানের নজরদারি: ‘জরুরি’ ও ‘অ-জরুরি’ নজরদারি ভাগে বিভক্ত, কেস-বাই-কেস SOP ও সময়সীমা নির্ধারণ।

তৈয়ব আরও বলেন, পূর্বের টেলিকম আইনের অপব্যবহার, বেআইনি নজরদারি এবং ইন্টারনেট বন্ধের প্রভাব বহু গুম ও প্রাণহানির অভিযোগের কারণ ছিল। এই সংস্কার মানবিক, দায়িত্বশীল ও ন্যায়ভিত্তিক এবং তা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অন্যতম বড় অর্জন হিসেবে ইতিহাসে স্থান পাবে।

নাহিদ/

শেয়ারনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

পাঠকের মতামত:

জাতীয় এর সর্বশেষ খবর

জাতীয় - এর সব খবর



রে