ঢাকা, শুক্রবার, ২ জানুয়ারি ২০২৬
Sharenews24

নির্বাচনের আগে ফজলুর রহমানের হলফনামা ঘিরে আলোচনা

২০২৬ জানুয়ারি ০২ ১১:৪৮:১৪
নির্বাচনের আগে ফজলুর রহমানের হলফনামা ঘিরে আলোচনা

নিজস্ব প্রতিবেদক : আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ–৪ (ইটনা–মিঠামইন–অষ্টগ্রাম) আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতার লক্ষ্যে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমান।

নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, রাজধানীর উত্তরার ৯ নম্বর সেক্টরে তাঁর স্ত্রীর নামে দুটি ফ্ল্যাট রয়েছে। এসব ফ্ল্যাটের অর্জনকালীন মূল্য দেখানো হয়েছে মোট ২০ লাখ টাকা। সব মিলিয়ে ফজলুর রহমান ও তাঁর পরিবার কোটি টাকার বেশি স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের মালিক।

আয়ের উৎস

হলফনামা অনুযায়ী, ফজলুর রহমানের আয়ের প্রধান উৎস আইন পেশা ও বাড়িভাড়া।

বাড়ি ও ফ্ল্যাট ভাড়া থেকে বার্ষিক আয়: ৩ লাখ ২৪ হাজার টাকা

আইন পেশা থেকে আয়: ২ লাখ ১২ হাজার ৯০০ টাকা

ব্যাংক আমানত থেকে আয়: ১৩ হাজার ৩৬৬ টাকা

তাঁর সন্তানদের কোনো আয়ের তথ্য হলফনামায় উল্লেখ করা হয়নি।

স্থাবর সম্পদ

স্থাবর সম্পদের ক্ষেত্রে তাঁর স্ত্রী উম্মে কুলসুম বেগমের সম্পদের মূল্য তুলনামূলক বেশি। উত্তরার ৯ নম্বর সেক্টরে তাঁর নামে থাকা দুটি ফ্ল্যাট ছাড়াও ফজলুর রহমানের নামে কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলায় একটি নির্মাণাধীন দোতলা ভবন রয়েছে। পৈতৃক সূত্রে তিনি ৫ একর এজমালি কৃষিজমির মালিক।অন্যদিকে, তাঁর স্ত্রীর নামে রয়েছে ১২ ও ৫৫ শতকের দুটি অকৃষিজমি।

নগদ অর্থ ও অস্থাবর সম্পদ

হলফনামা অনুযায়ী, ফজলুর রহমানের হাতে নগদ রয়েছে ২১ লাখ ৬৭ হাজার ৪৫২ টাকা এবং তাঁর স্ত্রীর কাছে রয়েছে ৭ হাজার ১২৮ টাকা।ব্যাংকে ফজলুর রহমানের জমা রয়েছে ৪ লাখ ৬৩ হাজার ৫৫১ টাকা এবং তাঁর স্ত্রীর নামে রয়েছে ১০ লাখ ৪০ হাজার ৪০১ টাকা।

এছাড়া ফজলুর রহমানের নামে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকার আসবাবপত্র ও ইলেকট্রনিক সামগ্রী রয়েছে। তাঁর স্ত্রীর নামে রয়েছে ১৭ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের একটি মোটরযানসহ ২ লাখ ২০ হাজার টাকার আসবাবপত্র ও ইলেকট্রনিক সামগ্রী।

হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে, প্রার্থীর স্থাবর সম্পদের বর্তমান আনুমানিক বাজারমূল্য ২ কোটি ১০ লাখ টাকা এবং তাঁর স্ত্রীর সম্পদের মূল্য ১ কোটি ৫ লাখ টাকা।

দায় ও মামলা সংক্রান্ত তথ্য

মো. ফজলুর রহমানের নামে ১০ লাখ টাকার একটি দায় রয়েছে, যা তিনি ‘মুক্তিযোদ্ধা হিসাব’ থেকে অগ্রিম হিসেবে গ্রহণ করেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে একটি ফৌজদারি মামলা (মানহানি সংক্রান্ত, ধারা ১২৪ ক) থাকলেও মহামান্য হাইকোর্টের আদেশে মামলাটি বর্তমানে স্থগিত রয়েছে। এছাড়া ১৯৭০ সালের একটি পুরোনো মামলায় তিনি আগেই খালাস পেয়েছেন।

ব্যক্তিগত তথ্য

৭৭ বছর বয়সী অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমানের শিক্ষাগত যোগ্যতা এমএ ও এলএলবি। তিনি কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার করনসী গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা। তাঁর বড় ছেলে অনিক রহমান একজন এআই বিশেষজ্ঞ এবং ছোট ছেলে অভিক রহমান সুপ্রিম কোর্টের ব্যারিস্টার।

মুসআব/

শেয়ারনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

পাঠকের মতামত:

জাতীয় এর সর্বশেষ খবর

জাতীয় - এর সব খবর



রে