ঢাকা, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
Sharenews24

বিদেশি বিনিয়োগকারীদের শেয়ার কিনে নিচ্ছেন অলিম্পিকের চেয়ারম্যান

২০২৬ মার্চ ১০ ২৩:০৭:১৮
বিদেশি বিনিয়োগকারীদের শেয়ার কিনে নিচ্ছেন অলিম্পিকের চেয়ারম্যান

নিজস্ব প্রতিবেদক: শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত শীর্ষ বিস্কুট ও কনফেকশনারি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের শেয়ার নিয়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বড় অঙ্কের লেনদেন হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ব্লক মার্কেটে কোম্পানিটির প্রায় ৪৯ কোটি টাকার শেয়ার হাতবদল হয়েছে, যা দিনের অন্যতম বড় লেনদেন হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।

ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, ব্লক মার্কেটে প্রতি শেয়ার ১৪০ টাকা দরে মোট ৩৫ লাখ শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে। অন্যদিকে সাধারণ বা পাবলিক মার্কেটে কোম্পানিটির শেয়ার দর ২.৯৩ শতাংশ বেড়ে দিনশেষে ১৫১ টাকায় লেনদেন সম্পন্ন হয়।

বাজার সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এই বড় অঙ্কের শেয়ার ক্রয় করেছেন অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান ও স্পন্সর ডিরেক্টর আজিজ মোহাম্মদ ভাই। পূর্বঘোষিত পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই তিনি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ধাপে ধাপে এসব শেয়ার কিনে নিচ্ছেন। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি তিনি ঘোষণা দিয়েছিলেন যে, পরবর্তী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে ব্লক মার্কেট থেকে এক কোটি শেয়ার সংগ্রহ করবেন। সেই পরিকল্পনার ধারাবাহিকতায় আজকের লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে।

এর আগে গত ২৩ ফেব্রুয়ারিও কোম্পানিটির ৫০ লাখ শেয়ার ব্লক মার্কেটে লেনদেন হয়েছিল, যার আর্থিক মূল্য ছিল প্রায় ৭২ কোটি টাকা। ফলে ধারাবাহিকভাবে বড় অঙ্কের শেয়ার হাতবদলের মাধ্যমে কোম্পানিটির মালিকানা কাঠামোতে পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।

সাধারণত ব্লক মার্কেটে পূর্বনির্ধারিত ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে সমঝোতার ভিত্তিতে বড় অঙ্কের শেয়ার লেনদেন হয়ে থাকে। এ ধরনের লেনদেনে সর্বনিম্ন ৫ লাখ টাকার নিচে কোনো লেনদেনের সুযোগ নেই। বর্তমানে অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজের মোট শেয়ারের ৩০.২৬ শতাংশ বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২১.৯৬ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে ১২.৯০ শতাংশ শেয়ার। বাকি অংশের মালিকানা রয়েছে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে।

কোম্পানিটির আর্থিক পারফরম্যান্সও ইতিবাচক ধারায় রয়েছে। ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বর প্রান্তিকে অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজের বিক্রয় আয় দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৫৪৮ কোটি টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১ হাজার ৪৯০ কোটি টাকা। একই সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ৫ টাকা ৮২ পয়সা থেকে বেড়ে ৫ টাকা ৯৯ পয়সায় উন্নীত হয়েছে। ডিসেম্বর শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৬৫ টাকা ৩৪ পয়সা।

মামুন/

শেয়ারনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

পাঠকের মতামত:

শেয়ারবাজার এর সর্বশেষ খবর

শেয়ারবাজার - এর সব খবর



রে