ঢাকা, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
Sharenews24

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের মধ্যে মন্ত্রিসভায় থাকতে পারেন যারা

২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৪ ১১:২৫:২১
অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের মধ্যে মন্ত্রিসভায় থাকতে পারেন যারা

নিজস্ব প্রতিবেদক : ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর বিএনপি তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠনের প্রস্তুতি শুরু করেছে। দলীয় ও রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছে, যেখানে মন্ত্রিসভায় অভিজ্ঞ ও প্রবীণ নেতাদের পাশাপাশি নতুন রাজনীতিবিদদেরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বর্তমান উপদেষ্টা পরিষদের চারজনকে মন্ত্রিসভায় রাখার বিষয়েও ভাবা হচ্ছে।

দলীয় সূত্রের মতে, নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়ন, প্রশাসনে গতিশীলতা, নীতি নির্ধারণে নতুন ভাবনা ও নেতৃত্ব সৃষ্টির লক্ষ্যে তরুণদের অন্তর্ভুক্তি জরুরি বলে বিবেচনা করা হচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থায়ী কমিটির এক সদস্য জানান, মন্ত্রিপরিষদ গঠন বিষয়ে দলের চেয়ারম্যান সরাসরি দেখভাল করছেন।

উপদেষ্টা পরিষদের চারজন সম্ভাব্য টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হতে পারেন। তারা হলেন: আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল, অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ, সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী এবং পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ। তবে আসিফ নজরুলকে নিয়ে দলের একাধিক সদস্য আপত্তি জানিয়েছে।

সাবেক মন্ত্রীদের মধ্যে বিএনপি কিছু অভিজ্ঞ নেতাকে নতুন মন্ত্রিসভায় রাখার পরিকল্পনা করছে। এর মধ্যে রয়েছেন: মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির ড. আব্দুল মঈন খান, মির্জা আব্বাস এবং সালাহউদ্দিন আহমদ। এছাড়া, পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে দলের অভিজ্ঞ নেতাদের।

নতুন মন্ত্রিসভায় একাধিক নতুন মুখ যুক্ত হবে। তরুণ ও উচ্চশিক্ষিত নেতা-রাজনীতিকদের টেকনোক্র্যাট হিসেবে মন্ত্রিপরিষদে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে আলোচনা চলছে। সম্ভাব্য নতুন মন্ত্রীরা হলেন: রুহুল কবির রিজভী (তথ্য ও সম্প্রচার), ইসমাইল জবিউল্লাহ (জনপ্রশাসন), শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি (স্বরাষ্ট্র), হুমায়ুন কবির (পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী) এবং ড. এজেডএম জাহিদ হোসেন (স্বাস্থ্য)।

বিএনপি যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলোর নেতাদেরও মন্ত্রিপরিষদে অন্তর্ভুক্ত করতে চাইছে। দলের নেতা-কর্মীরা বলছেন, দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামে যারা একসাথে ছিলেন, তাদের অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করা হবে। এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো অংশগ্রহণমূলক ও প্রতিনিধিত্বশীল কাঠামোর মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনর্গঠন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণ।

সংবিধান অনুযায়ী, নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হবে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণের মাধ্যমে। এরপর সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়োগ করবেন রাষ্ট্রপতি। প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব গ্রহণের পর মন্ত্রিসভা গঠন শুরু হবে এবং মন্ত্রিপরিষদের আকার নির্বাচিত দলই নির্ধারণ করবে।

নাহিদ/

শেয়ারনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

পাঠকের মতামত:

জাতীয় এর সর্বশেষ খবর

জাতীয় - এর সব খবর



রে