ঢাকা, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
Sharenews24

‘হ্যাঁ’ জয়ের পর এবার সংবিধান সংস্কারে দফায় দফায় বড় চমক!

২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৩ ১৭:৫৮:৩৭
‘হ্যাঁ’ জয়ের পর এবার সংবিধান সংস্কারে দফায় দফায় বড় চমক!

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত গণভোটে ‘হ্যাঁ’ প্রস্তাবটি জয়ের মাধ্যমে সংসদে সংবিধান সংস্কারের পথ সুগম হয়েছে। গণভোটে প্রায় ৪ কোটি ৮০ লাখ ভোটার ‘হ্যাঁ’ দিয়ে জোরালো সমর্থন দিয়েছেন জুলাই জাতীয় সনদ সংবিধান সংস্কার বাস্তবায়ন আদেশ-২০২৫ এবং সংশ্লিষ্ট প্রস্তাবগুলোর জন্য।

সংবিধান সংস্কারের প্রধান দিকসমূহ:

১. নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও প্রতিষ্ঠান:জুলাই সনদ অনুযায়ী নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন ও অন্যান্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান গঠনের প্রক্রিয়া নির্ধারণ করা হবে।

২. দুই কক্ষবিশিষ্ট সংসদ গঠন:আগামী জাতীয় সংসদ হবে দুই কক্ষবিশিষ্ট। ভোটের অনুপাতে ১০০ সদস্যের একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হবে, যেখানে সংবিধান সংশোধনের জন্য উচ্চকক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠ অনুমোদন বাধ্যতামূলক হবে।

৩. সংসদীয় সংস্কার:নারী প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি, বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার ও কমিটির সভাপতি নির্বাচন, প্রধানমন্ত্রী মেয়াদসীমা সীমিতকরণ, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধি, মৌলিক অধিকার সম্প্রসারণ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও স্থানীয় সরকারে সংস্কারসহ ৩০টি প্রস্তাব বাস্তবায়িত হবে।

৪. অন্যান্য প্রতিশ্রুতিসমূহ:রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্যানুযায়ী অন্যান্য সংস্কারও বাস্তবায়িত হবে।

মেয়াদসীমা সীমিতকরণের উদাহরণ:

বর্তমান সংবিধানে প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ নির্দিষ্ট নয়, কিন্তু নতুন সংবিধানে সর্বোচ্চ ১০ বছর বা নির্দিষ্ট মেয়াদে সীমাবদ্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সংবিধান সংস্কার পরিষদের দায়িত্ব:

সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী এমপিরা সংসদের অধিবেশন শুরুর ১৮০ দিনের মধ্যে ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’ গঠন করবেন এবং সংবিধানে প্রয়োজনীয় সংশোধন করবেন।

পরিষদ কতটা বাধ্য?

মার্চ ২০২৫ সালে প্রধান উপদেষ্টা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, সংশোধনের প্রস্তাবগুলোর বাস্তবায়নে নির্বাচিত এমপিরা বাধ্য। এটি রাজনৈতিক দলের প্রতিশ্রুতি এবং আইনগত বাধ্যবাধকতা হিসেবে গণ্য হবে।

উচ্চকক্ষ গঠনের প্রক্রিয়া:

উচ্চকক্ষের সদস্য সংখ্যা ১০০, যেখানে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে আসন বণ্টন হবে। ভোটের ১ শতাংশের কম পাওয়া দল উচ্চকক্ষে প্রতিনিধিত্ব পাবে না। উচ্চকক্ষের আইন প্রণয়ন ক্ষমতা নেই, তবে জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নিম্নকক্ষে প্রস্তাব পাঠাতে পারবে। সংবিধান সংশোধন বিল পাসের জন্য উচ্চকক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠ অনুমোদন প্রয়োজন।

নাহিদ/

শেয়ারনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

পাঠকের মতামত:

জাতীয় এর সর্বশেষ খবর

জাতীয় - এর সব খবর



রে