ঢাকা, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারি ২০২৬
Sharenews24

পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিয়েছেন ৪ লাখ ৫৬ হাজার প্রবাসী

২০২৬ জানুয়ারি ৩০ ২৩:২২:২২
পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিয়েছেন ৪ লাখ ৫৬ হাজার প্রবাসী

নিজস্ব প্রতিবেদক: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে প্রবাসীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের চিত্র ফুটে উঠেছে। ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে এখন পর্যন্ত ৪ লাখ ৫৬ হাজার ৮৭২ জন প্রবাসী তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। তবে নিবন্ধিত প্রবাসীদের মধ্যে এখনো ৩ লাখেরও বেশি ভোটার ভোট দেওয়া বাকি রেখেছেন। শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত প্রবাসীদের দেওয়া ভোটের মধ্যে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৭৬৩টি পোস্টাল ব্যালট ইতোমধ্যে দেশে এসে পৌঁছেছে বলে অ্যাপের তথ্য সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬২ জন প্রবাসীর কাছে পোস্টাল ব্যালট পাঠানো হয়েছিল। এর মধ্যে শুক্রবার সন্ধ্যা নাগাদ ৫ লাখ ১৫ হাজার ৯৫৪ জন প্রবাসী তাঁদের ব্যালট হাতে পেয়েছেন। ভোটদান সম্পন্নকারীদের মধ্যে ৪ লাখ ৬ হাজার ৪১১ জন সংশ্লিষ্ট দেশের পোস্ট অফিসে তাঁদের ব্যালট জমা দিয়েছেন। তবে ঠিকানা সংক্রান্ত জটিলতার কারণে ১১ হাজার ২২৬টি ব্যালট সরবরাহ করা সম্ভব হয়নি এবং সেগুলো দেশে ফেরত এসেছে।

দেশের অভ্যন্তরেও পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট প্রদানের কার্যক্রম পুরোদমে চলছে। ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে দেশের ভেতর থেকে মোট ৭ লাখ ৬১ হাজার ১৪২ জন ভোটার নিবন্ধন করেছেন, যার মধ্যে আইনি হেফাজতে থাকা ৬ হাজার ২৪০ জন ভোটারও রয়েছেন। ২৬ জানুয়ারি থেকে নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা ও কারাবন্দিদের কাছে ব্যালট পাঠানো শুরু হয়েছে। এ পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরে ২ লাখ ৬৯ হাজার ভোটারের কাছে ব্যালট পাঠানো হয়েছে, যার মধ্যে ২ হাজার ৪৪২ জন ভোট দিয়েছেন।

পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন কঠোর সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে। ইসি জানিয়েছে, ভোটারদের ব্যালট পাওয়ার পর দ্রুত ভোট দিয়ে নিকটস্থ পোস্ট অফিস বা ডাক বাক্সে হলুদ খাম জমা দিতে হবে। রিটার্নিং অফিসারের কাছে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বিকেল সাড়ে চারটার মধ্যে ব্যালট পৌঁছালেই কেবল তা গণনায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। নির্ধারিত সময়ের পর কোনো ব্যালট পৌঁছালে তা বাতিল বলে গণ্য হবে বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে কমিশন।

বর্তমান অর্থবছরের সবচেয়ে বড় এই গণতান্ত্রিক আয়োজনে পোস্টাল ব্যালটের এই ডিজিটাল পদ্ধতি সময় ও খরচ দুটোই বাঁচিয়েছে। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকলে নির্বাচনী পরবর্তী সময়ে দেশে বৈদেশিক রেমিট্যান্স বা ক্যাশ প্রবাহ আরও বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া একটি সুষ্ঠু নির্বাচন জাতীয় অর্থনীতির পাশাপাশি শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সিরাজ/

শেয়ারনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

পাঠকের মতামত:

জাতীয় এর সর্বশেষ খবর

জাতীয় - এর সব খবর



রে