ঢাকা, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
Sharenews24

ইলন মাস্কের স্টারলিংক আনছে কে অ্যান্ড কিউ, আয়ে বড় চমকের আশা

২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০৭ ১২:২৩:৪৩
ইলন মাস্কের স্টারলিংক আনছে কে অ্যান্ড কিউ, আয়ে বড় চমকের আশা

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিশ্বখ্যাত স্টারলিংক স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবার বিক্রয় এজেন্ট হিসেবে বাংলাদেশে কাজ শুরু করতে যাচ্ছে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত তথ্যপ্রযুক্তি খাতের প্রতিষ্ঠান ‘কে অ্যান্ড কিউ (বাংলাদেশ) লিমিটেড’। ইলন মাস্কের মালিকানাধীন স্পেসএক্সের এই অত্যাধুনিক ইন্টারনেট সেবা দেশজুড়ে ছড়িয়ে দিতে সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিএল)-এর সাথে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে কোম্পানিটি।

এই চুক্তির অধীনে কে অ্যান্ড কিউ সারা দেশে স্টারলিংকের ইন্টারনেট সংযোগ ও হার্ডওয়্যার বিপণন করবে। কোম্পানিটির প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা (সিএফও) কাজী একরামুল হক জানান, স্টারলিংক সংযোগের ডাটা বা প্যাকেজ বিক্রির ওপর তারা ২ শতাংশ এবং হার্ডওয়্যার বিক্রির ওপর ৭ শতাংশ হারে কমিশন পাবেন। এই নতুন ব্যবসায়িক উদ্যোগের ফলে আগামী প্রান্তিকগুলোতে কোম্পানির রাজস্ব ও নিট মুনাফায় বড় ধরনের ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ আশা করছে।

স্টারলিংক হলো স্পেসএক্স পরিচালিত একটি লো-আর্থ-অরবিট স্যাটেলাইট নেটওয়ার্ক, যা মূলত দুর্গম ও প্রত্যন্ত এলাকায় উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট পৌঁছে দেয়। বাংলাদেশে এটি পরিচালনার জন্য ইতিমধ্যে লাইসেন্স প্রদান করা হয়েছে। সরকারি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান বিএসসিএল স্টারলিংকের হার্ডওয়্যার ও সেবা রিসেল বা পুনরায় বিক্রির জন্য ব্যবসায়িক চুক্তি করেছে। এখন কে অ্যান্ড কিউ বিএসসিএল-এর ডিস্ট্রিবিউশন পার্টনার হিসেবে গ্রাহক পর্যায়ে এই সেবা পৌঁছে দেবে।

বাংলাদেশে বর্তমানে স্টারলিংকের দুটি আবাসিক প্যাকেজ চালু রয়েছে। এর মধ্যে ‘রেসিডেন্সিয়াল লাইট’ প্যাকেজের মাসিক খরচ ৪,২০০ টাকা এবং ‘রেসিডেন্সিয়াল স্ট্যান্ডার্ড’ প্যাকেজের খরচ ৬,০০০ টাকা। উভয় প্যাকেজেই আনলিমিটেড উচ্চগতির ডাটা সুবিধা পাওয়া যাবে। তবে গ্রাহকদের শুরুতে এককালীন হার্ডওয়্যার কিট বাবদ প্রায় ৪৭,০০০ টাকা ব্যয় করতে হবে।

স্টারলিংকের সাথে যুক্ত হওয়ার এই খবর প্রকাশের পর ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত বৃহস্পতিবার কে অ্যান্ড কিউ-এর শেয়ারের দাম ০.৭৩ শতাংশ বেড়ে ৩৯৯.১ টাকায় দাঁড়িয়েছে। বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টুর মালিকানাধীন মাল্টিমোড গ্রুপের এই প্রতিষ্ঠানটি একসময় কার্বন রড ও কীটনাশক উৎপাদন করত। তবে সেই কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর প্রতিষ্ঠানটি সিএনজি ফিলিং স্টেশন এবং পরবর্তীতে আইটি প্রতিষ্ঠানের (মাল্টিসোর্সিং লিমিটেড) সাথে একীভূত হয়ে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবসায় মন দেয়। বর্তমানে পাথর ব্যবসা এবং অফিস স্পেস ভাড়ার পাশাপাশি স্যাটেলাইট ইন্টারনেটের এই নতুন সংযোজন কোম্পানিটিকে আরও লাভজনক করে তুলবে বলে বাজার বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

এমজে/

শেয়ারনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

পাঠকের মতামত:

শেয়ারবাজার এর সর্বশেষ খবর

শেয়ারবাজার - এর সব খবর



রে