Print
প্রচ্ছদ » বিশেষ সংবাদ

শক্তিশালী শেয়ারবাজার গড়তে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর আহবান

ঢাকা, ০২ নভেম্বর ২০১৭:

দেশের অর্থনীতির বিকাশে শক্তিশালী শেয়ারবাজার গড়ে তোলার আহবান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. আবুদল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, শক্তিশালী শেয়ারবাজারই হচ্ছে উন্নত অর্থনীতি গড়ে তোলার অন্যতম হাতিয়ার। এই লক্ষ্যে বর্তমান সরকার ব্যাপক কার্যক্রম গ্রহণ করেছে উল্লেখ করেন তারা। বিশ্ব বিনিয়োগকারী সপ্তাহ ২০১৭ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবুদল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রবিবার পৃথক বাণীতে এই আহবান জানান।

বিনিয়োগকারীদের শিক্ষা ও সুরক্ষা প্রদানের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের উদ্যোগে দেশে প্রথমবারের মতো ২-৮ অক্টোবর ‘‘বিশ্ব বিনিয়োগকারী সপ্তাহ’’ পালন করছে।

ইন্টারন্যাশনাল অরগানাইজেশন অব সিকিউরিটিজ কমিশনস (আইওএসসিও) সারাবিশ্বে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য এই প্রথম ‘বিশ্ব বিনিয়োগকারী সপ্তাহ কর্মসূচি’ ঘোষণা করেছে।

বাণীতে রাষ্ট্রপতি মো. আবুদল হামিদ বলেন, বিশ্ব বিনিয়োগকারী সপ্তাহ ২০১৭ এর মূল লক্ষ্য হচ্ছে বিনিয়োগ শিক্ষা ও বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা। শেয়ারবাজারের সম্প্রাসারণে বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ শেয়ারবাজারে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের বিশেষত প্রথম বিনিয়োগকারীদের বাজার সম্পর্কে যথেষ্ট জ্ঞান না থাকায় প্রায়শ বিনিয়োগ ঝুঁকির মধ্যে পড়তে হয়। অনেকে বিনিয়োগ করে সর্বস্বান্ত হয়ে পড়েন। শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থরক্ষায় দিবসটি পালন যথার্থ বলে আমি মনে করি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাণীতে বলেন, শক্তিশালী শেয়ারবাজার উন্নত অর্থনীতি গড়ে তোলার অন্যতম হাতিয়ার। দেশের অর্থনীতির বিকাশে শক্তিশালী শেয়ারবাজার গড়ে তোলার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার ব্যাপক কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের নিজস্ব ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। কমিশনের আর্থিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি কর্মকর্তাদের কর্মকান্ডে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে আইনি বিধান রাখা হয়েছে। শেয়ার বাজারে লেনদেন কারচুপি ও অনিয়ম শনাক্ত করতে যথাযথ নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য বিশেষ প্রণোদনা প্যাকেজ অব্যাহত রয়েছে।

তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে ‘শেয়ারবাজারে ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের সহায়তা তহবিল’ নামে ৯০০ কোটি টাকার তহবিল গঠন ও আইপিও-তে ২০ শতাংশ কোটা সংরক্ষণ করা হয়েছে। বিনিয়োগ বৃদ্ধি, আর্থিক প্রতিবেদনের স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা যাচাইয়ের জন্য ফিন্যানসিয়াল রিপোর্টিং অ্যাক্ট এবং বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (পাবলিক ইস্যু) রুলস, ২০২৫ প্রণয়ন করা হয়েছে। এক্সচেঞ্জসমূহে ইন্টারনেটভিত্তিক লেনদেন চালু করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিনিয়োগ শিক্ষার মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে এবং দেশের শেয়ারজার আরো গতিশীল হবে। সাধারণ মানুষের ছোট ছোট সঞ্চয়ের সঠিক বিনিয়োগই দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। সূত্র : বাসস