Print
প্রচ্ছদ » বিশেষ সংবাদ

বিপিডিবি’র লোকসান ৪২ হাজার কোটি টাকা: গতিহীন তালিকাভুক্তির কার্যক্রম



এইচ কে জনি:

দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বা সংস্থাগুলো রাষ্ট্রের উন্নয়নে ভূমিকা রাখার কথা। কিন্তু আমাদের দেশের চিত্র সম্পূর্ণ উল্টো। রাষ্ট্রের উন্নয়নে ভূমিকা তো রাখছেই না, বরং অধিকাংশ রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান বা সংস্থাই এখন রাষ্ট্রের বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বছরের পর বছর লোকসানের বৃত্তে ঘুরপাক খাওয়া রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলোর মধ্যে অন্যতম বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের হিসেবে গত ১১ বছরে প্রতিষ্ঠানটির লোকসানের পরিমাণ ৪২ হাজার ৪২৫ কোটি টাকারও বেশি।


সরকারি এ সংস্থায় রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ, আমলাতন্ত্রের লালফিতার দৌরাত্ম্য ও দুর্নীতির কারণে লোকসানের বৃত্ত থেকে বেরিয়ে আসতে পারছে না। আর এই লোকসানের কারণে ব্যাহত হচ্ছে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন। অথচ বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের উন্নয়নে পিপিপির মাধ্যমে দেশের পুঁজিবাজার থেকে প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের সুপারিশ করা হলেও সাড়ে ৪ বছরে কাজ শুরু করতে পারেনি জ্বালানি মন্ত্রণালয়। কারণ দেশের পুঁজিবাজারকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট সমাধানের পাশাপাশি ভালো শেয়ারের ঘাটতি কমানো সম্ভব। আর তাই পিপিপির মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করে বেসরকারি অংশীদারিত্ব বাড়ালে লোকসান কাটিয়ে ওঠা সম্ভব বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।


অর্থমন্ত্রনালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১১ বছরে (২০০৬-০৭ থেকে ২০১৬-১৭ অর্থবছরের এপ্রিল পর্যন্ত) এ প্রতিষ্ঠানটি ৪২ হাজার ৪২৫ কোটি ৮৪ লাখ টাকা লোকসান গুনেছে। গত ১১ বছরের মধ্যে ২০১৪-১৫ অর্থবছরের বিপিডিপি সর্বোচ্চ লোকসান গুনেছে। আলোচ্য সময়ে প্রতিষ্ঠানটির লোকসানের পরিমাণ ছিল ৭ হাজার ২৭৬ কোটি ৬০ লাখ টাকায়য় দাঁড়িয়েছে। এছাড়া ২০০৬-০৭ অর্থবছরে ৯০৪ কোটি ৯ লাখ টাকা, ২০০৭-০৮ অর্থবছরে ৯৯৩ কোটি ২৪ লাখ টাকা, ২০০৮-০৯ অর্থবছরে ৮২৮ কোটি ৬১ লাখ টাকা, ২০০৯-১০ অর্থবছরে ৬৩৫ কোটি ৭৬ লাখ টাকা, ২০১০-১১ অর্থবছরে ৪ হাজার ৫৮৭ কোটি ১ লাখ টাকা, ২০১১-১২ অর্থবছরে ৬ হাজার ৩৫৯ কোটি ৮৬ লাখ টাকা, ২০১২-১৩ অর্থবছরে ৫ হাজার ২৬ কোটি ১১ লাখ টাকা, ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ৬ হাজার ৮০৬ কোটি ৫৩ লাখ টাকা, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে (সাময়িক) ৩ হাজার ৮৬৬ কোটি ৭৬ লাখ টাকা এবং ২০১৬-১৭ অর্থবছরে (সংশোধিত) ৫ হাজার ১৪১ কোটি ২৭ লাখ টাকা লোকসান গুনেছে।


বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোনো প্রতিষ্ঠান সরকারি মালিকানায় থাকলে সেখানে দুর্নীতি হবে এটা স্বাভাবিক। বাংলাদেশের মতো গণতান্ত্রিক দেশে সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপে ব্যবস্থাপনা পরিষদের পরিবর্তন হয়, যে কারণে এ প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রমে ধারাবাহিকতা থাকে না। বরং রাজনৈতিক কারণে প্রতিষ্ঠানগুলোতে দুর্নীতি আর লুটপাট শুরু হয়। এতে সরকার বড় অঙ্কের রাজস্ব হারায়, আর শেষ পর্যন্ত সেই লোকসানের দায় রাষ্ট্রকেই বইতে হয়। বিপিডিবি প্রসঙ্গে তারা বলেন, সঠিক পরিকল্পনা ও জোরদার মনিটরিং না থাকায় এ খাতে লোকসানের পরিমাণ বাড়ছে।


এছাড়া কিছু কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও কর্মচারীর কারণেও প্রতিবছর কোটি কোটি টাকার বিদ্যুত চুরি হয়ে যাচ্ছে। তারা আরো বলেন, প্রায় প্রতিবছরই সিস্টেম লসের কারণে কোটি কোটি টাকার বিদ্যুৎ অপচয় হচ্ছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে বকেয়া বিদ্যুত বিলের পরিমাণও। এসব সমস্যা থেকে উত্তোরণের উপায় হিসেবে তারা বলেন, এ খাতে বেসরকারি অংশীদারিত্ব বাড়াতে হবে। যদিও ইতোমধ্যে কিছু কিছু ক্ষেত্রে বেসরকারি বিনিয়োগ হয়েছে, তবে তা পর্যাপ্ত নয়। বিশেষ করে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের উপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।


তাদের মতে, বিশ্বের অনেক উন্নয়নশীল দেশ অবকাঠামো খাত উন্নয়নে পুঁজিবাজারকে কাজে লাগাচ্ছে। বাংলাদেশেও একই ধরনের উদ্যোগ নেয়া হলে অর্থনীতিতে নতুন মাইলফলক সৃষ্টি করা সম্ভব। বর্তমান সরকার অবকাঠামোগত উন্নয়নে নানা ধরনের পরিকল্পনা গ্রহণ করছে। বিশেষ করে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট সমাধানে সরকারের নানামুখী প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এসব প্রকল্পকে লিমিটেড কোম্পানি বা কনসোর্টিয়াম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত করে প্রয়োজনীয় অর্থের বড় অংশ সংগ্রহ করা সম্ভব। প্রকল্প বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত বিনিয়োগকারীদের সামান্য সুদ বা মুনাফা প্রদান এবং বাস্তবায়নের পর প্রতিবছর ওই প্রকল্প থেকে অর্জিত আয়ের একাংশ ডিভিডেন্ড হিসেবে দেয়ার ঘোষণা দেওয়া হলে বিপুলসংখ্যক মানুষ এসব প্রকল্পের শেয়ার কিনতে আগ্রহী হবেন বলে তারা মনে করেন।


অবশ্য ২০১৫ সালে বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের জন্য জোরালো পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে। বিদ্যুৎ খাতের কোম্পানিগুলোকে কীভাবে পুঁজিবাজারে আনা যায়, তারই কর্মপরিকল্পনা ও সুপারিশমালা তৈরি করাই এ কমিটির প্রধান কাজ। এজন্য এ কমিটিকে ৩০ দিন সময় বেঁধে দেয়া হয়েছে। এ সময় শেষ হওয়ার দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও এর কোন অগ্রগতি লক্ষ্য করা যায়নি।
জানা যায়, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের নতুন কোম্পানি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির ব্যাপারে বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব মনোয়ার ইসলামকে প্রধান করে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কোম্পানিগুলোকে বাজারে আনা সংক্রান্ত একটি কর্মপরিকল্পনা ও সুপারিশমালা তৈরি করা এ কমিটির প্রধান কাজ।


মূলত সরকার বিদ্যুৎ খাতের আরও কয়েকটি কোম্পানিকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির মাধ্যমে নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের জন্য অর্থ সংগ্রহ করতে চায়। এই পরিপ্রেক্ষিতে স্টেকহোল্ডারদের সমন্বয়ে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি স্টেকহোল্ডারদের পাশাপাশি পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি), ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি), ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) রয়েছে। এই কমিটি পুঁজিবাজারে আসার জন্য কোম্পানিগুলোর কী কী সমস্যা ও প্রতিবন্ধকতা রয়েছে তা চিহ্নিত করবে। বাজারে আসার ক্ষেত্রে কোম্পানিগুলোর সমস্যা চিহ্নিত করে তা আগামী ৩০ কর্ম দিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেয়ার জন্য বলা হয়েছে।


নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যুৎ খাতের কোম্পানিগুলোকে বাজারে আনার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালে জোরালো পদক্ষেপ নেয়া হয়েছিল। অবশ্য এর আগেও সরকারি কোম্পানিগুলোকে বাজারে আনার ব্যাপারে একাধিক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল। কিন্তু অজানা কারণে তা আলোর মুখ দেখেনি। তবে এ ক্ষেত্রে তার ব্যতিক্রম হবে।


সূত্র আরও জানায়, বিদ্যুৎ খাতের এ কোম্পানিগুলো পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করতে পারলে তাদের ডাইরেক্ট সাবসিডাইসড লোন কিংবা এক্সপোর্ট ক্রেডিট এজেন্সি লোন পরিশোধের সুযোগ পাবেন; যে লোনে সরকারের দায়বদ্ধতা রয়েছে।


এর আগেও বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের উন্নয়নে পুঁজিবাজার থেকে প্রাইভেট-পাবলিক পার্টনারশিপের (পিপিপি) মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য ২০০৯ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর জিয়াউল হাসান সিদ্দিকীকে আহ্বায়ক করে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন আইসিবির তৎকালীন মহাব্যবস্থাপক ও বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের উন্নয়ন তহবিল গঠন, তহবিল সংগ্রহের সম্ভাব্য উৎস নির্ধারণ, তহবিল সংরক্ষণ, ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি বিষয় যাচাই করে সুনির্দিষ্ট সুপারিশ প্রণয়নের জন্য কমিটিকে দু’মাস সময় বেঁধে দিয়েছিল বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়। নানা জটিলতায় কমিটির কাজ শুরু করতে দেরি হয়। বেশ কয়েকটি বৈঠকের পর প্রতিবেদন চূড়ান্ত করে ওই কমিটি। পরে ২০১০ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ে কমিটি তাদের সুপারিশ পেশ করে।


কমিটির প্রতিবেদনে পুঁজিবাজার থেকে ৭ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় তহবিল সংগ্রহের প্রস্তাব করা হয়েছিল। ৫ বছরের মধ্যে ৭ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ও তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য দেশের পুঁজিবাজারের মাধ্যমে প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করা সম্ভব বলে কমিটি সুপারিশ করে। এছাড়া তহবিল সংগ্রহের জন্য প্রতিবেদনে একাধিক প্রক্রিয়ার কথা উল্লেখ করা হয়। এরপর প্রায় ৬ বছর অতিবাহিত হলেও পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কোনো কাজ শুরু করেনি মন্ত্রণালয়। অথচ কমিটির সুপারিশ পাওয়ার পর জ্বালানি ও আইন মন্ত্রণালয়ে যাচাই-বাছাইয়ের পর অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রী সভা কমিটিতে পাঠানোর কথা। ওই কমিটিতে অনুমোদিত হলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সুপারিশটি মন্ত্রী পরিষদের বৈঠকে উত্থাপন করা হবে। গত ৬ বছরেও এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি জ্বালানি মন্ত্রণালয়।

যদিও গত বছরও এ নিয়ে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে অনেক আলোচনা হয়েছিল। কিন্তু অজানা কারণে তাও মুখ থুবরে পড়েছে।


এ প্রসঙ্গে ফিনিক্স ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এম ইন্তেখাব আলম বলেন, অনেক আগেই পিপিপির মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহে সরকারের পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু রহস্যজনক কারণে তা আলোর মুখ দেখেনি। তিনি বলেন, বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করতে এর বিকল্প নেই। তিনি বলেন, যারা বিনিয়োগ করেন তারা সবসময়ই তাদের বিনিয়োগের নিরাপত্তা চায়। সেখানে একটি দেশের সরকার যখন ওই বিনিয়োগকারীর পার্টনার হবে, তখন বিনিয়োগকারীকে আর বিনিয়োগে নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে ভাবতে হবে না। তখন ব্যক্তি বিনিয়োগকারীরাই নতুন নতুন প্রকল্পে এগিয়ে আসবেন। এছাড়া বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও এগিয়ে আসবেন। এতে ওই প্রকল্প থেকে সরকার বিপুল পরিমাণে রাজস্ব আয় করতে পারবে। তিনি আরো বলেন, পৃথিবীতে অনেক দেশই এ পিপিপির মাধ্যমে উন্নতি করেছে। তিনি চায়নার উদাহরণ দিয়ে বলেন, চায়নার মতো দেশ পিপিপির মাধ্যমে বিশাল আকারের ১৩টি সেতু নির্মান করেছে। তবে এসব প্রকল্পের সাফল্যের জন্য পরিচালনার ক্ষেত্রে সরকারের হস্তক্ষেপ না থাকাটাই শ্রেয়। প্রাইভেট সেক্টরের যোগ্য ব্যাক্তিদের হাতে এসব প্রকল্পের ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব ছেড়ে দিলেই সাফল্য অর্জন সম্ভব।


বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. আবু আহমেদ বলেন, রাষ্ট্রায়ত্ত্ব প্রতিষ্ঠানগুলোতে সবসময়ই দুর্নীতি ছেয়ে থাকে। তাই প্রতিষ্ঠানগুলো বছরের পর বছর লোকসান দিয়ে যায়। আর এ লোকসানের বোঝা সরকারকেই বহন করতে হয়। তাই এসব প্রতিষ্ঠানকে সরকারি মালিকানায় না রেখে যত দ্রুত সম্ভব বেসরকারি খাতে ছেড়ে দিতে হবে। তাহলে প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়বে, সরকারকেও বাড়তি লোকসানের বোঝা বহন করতে হবে না। অন্যদিকে এসব প্রতিষ্ঠান থেকে বড় অঙ্কের রাজস্ব আয় হবে। এছাড়া পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির মাধ্যমেও এ ধরনের প্রতিষ্ঠানগুলো জবাবদিহিতার আওতায় আনা সম্ভব।





শেয়ারনিউজ/ঢাকা, ১২ জুলাই ২০১৭