Print
প্রচ্ছদ » বিশেষ সংবাদ

সঞ্চয়পত্র : আরো একটি সুখবর পুঁজিবাজারের

ঢাকা, ০৬ জুলাই ২০১৭:

সঞ্চয়পত্রের সুদের হার কমছে, এটা এখন নিশ্চিত প্রায়। কিন্তু সুদ কী পরিমাণ কমবে? এ সংক্রান্ত ঘোষণা আসতে পারে ১৫ জুলাইয়ের পরই। কিন্তু সঞ্চয়পত্রের সুদহার কমছে এমন ঘোষণায় বিক্রয় চাপ বেড়েছে। সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরের মে মাসে সঞ্চয়পত্রের বিক্রি বেড়েছে ১ হাজার ২৬৪ কোটি টাকার। আলোচ্য মাসে সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে ৪ হাজার ৮৬৯ কোটি টাকার। এর আগের অর্থবছরের একই সময়ে বিক্রি হয়েছিল ৩ হাজার ৬০৫ কোটি টাকা। জাতীয় সঞ্চয়পত্র অধিদপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করে এ চিত্র উঠে এসেছে।

সঞ্চয়পত্রের অব্যাহত বিক্রয় চাপ ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছেন পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টরা। তারা বলেন, ঝুঁকিগ্রহণে আগ্রহী বিনিয়োগকারীরা ফিরবে পুঁজিবাজারে।

জানা যায়, গত কয়েক বছর ধরে ব্যাংকের সুদের হার কমতে কমতে এখন তা পাঁচ শতাংশের নিচে রয়েছে। কিন্তু বিভিন্ন ধরনের সঞ্চয়পত্রের সুদের হার এখন ১১ শতাংশের বেশি। আর ব্যাংকের তুলনায় দ্বিগুণ সুদ পাওয়া যায় বলে মানুষ ব্যাপকহারে সঞ্চয়পত্র কিনছে। আর এ কারণে সরকারের লক্ষ্যমাত্রার কয়েকগুণ সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে। ফলে সরকারের সুদ ব্যবস্থাপনায় সমস্যার তৈরি হয়েছে।

জাতীয় সঞ্চয়পত্র অধিদপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, গত এপ্রিল থেকে মে মাসে সঞ্চয়পত্র বিক্রি বেড়েছে ৩৭১ কোটি টাকা। এপ্রিল মাসে বিক্রি হয়েছিল ৪ হাজার ৪৯৮ কোটি টাকার সঞ্চয়পত্র।

গত অর্থবছরের এক মাস হাতে রেখেই লক্ষ্যমাত্রার দ্বিগুণেরও বেশি সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়। গত (২০১৬-১৭ ) অর্থবছরের ১১ মাসে অর্থাৎ মে শেষে সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে ৪৬ হাজার ৯৬৭ কোটি টাকার। যদিও (২০১৬-১৭) অর্থবছরে রাজস্ব ঘাটতি মেটাতে ১৯ হাজার ৬১০ কোটি টাকার সঞ্চয়পত্র বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল সরকার।

উল্লেখ, বর্তমানে ৪ ধরনের সঞ্চয়পত্র আছে। এসব সঞ্চয়পত্রে সর্বনিম্ন সাড়ে ৯ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ সাড়ে ১১ শতাংশ সুদ দেওয়া হয়। অন্যদিকে ব্যাংকে আমানতের মেয়াদ ভেদে ৪ থেকে ৭ শতাংশ পর্যন্ত সুদ পাওয়া যায়।

শেয়ারনিউজ/