Print
প্রচ্ছদ » বিশেষ সংবাদ

বছরজুড়ে আইপিও’র মাধ্যমে ৩৯০ কোটি টাকা উত্তোলন

ঢাকা, ২ জুলাই ২০১৭:

পুঁজিবাজারে প্রাথমিক গণ প্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ৩৯০ কোটি টাকা উত্তোলনের অনুমোদন দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে যেখানে আইপিও’র মাধ্যমে ৪৪৮ কোটি ৭০ লাখ টাকা সংগ্রহ করেছিল কোম্পানিগুলো। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে আইপিও’র মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহের পরিমাণ কমেছে ৫৮ কোটি ৭০ লাখ টাকা।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্র এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ৮টি কোম্পানিকে আইপিও’র মাধ্যমে অর্থ উত্তোলনের অনুমোদন দেয় বিএসইসি। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ৬ কোম্পনিকে আইপিও অনুমোদন দেয় সংস্থাটি। এছাড়াও কোনো কোম্পানিইকেই প্রিমিয়াম দিয়ে তালিকাভুক্তির অনুমোদন দেয়নি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ (বিএসইসি)। তবে ৩টি মিউচ্যুয়াল ফান্ডকে তালিকাভুক্তির অনুমোদন দেয় বিএসইসি।

প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ছয় কোম্পানি ও তিন মিউচ্যুয়াল ফান্ড পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। এসব প্রতিষ্ঠান বাজারে ২০ কোটি শেয়ার ও ১৯ কোটি ইউনিটসহ মোট ৩৯ কোটি সিকিউরিটিজ সরবরাহ করে। বিনিময়ে কোম্পানিগুলো ২০০ কোটি টাকা ও ফান্ডের ব্যবস্থাপকরা ১৯০ কোটি টাকাসহ মোট ৩৯০ কোটি টাকা সংগ্রহ করে।

চলতি বছরে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- ইয়াকিন পলিমার, ফরচুন সুজ, প্যাসিফিক ডেনিমস, শেফার্ড ইন্ডাষ্ট্রিজ, নূরানী ডায়িং অ্যান্ড সোয়েটার, বিবিএস ক্যাবলস, ভ্যানগার্ড এএমএল রূপালী ব্যাংক ব্যালেন্সড ফান্ড, সিএমপিএম বিডিবিএল মিউচ্যুয়াল ফান্ড ওয়ান এবং এসইএমএল আইবিবিএল শরিয়া ফান্ড।

এর মধ্যে ইয়াকিন পলিমার কোনো প্রকার প্রিমিয়াম ছাড়া ফেসভ্যালু ১০ টাকায় ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে ২০ কোটি টাকা সংগ্রহ করে।

ফরচুন সুজ কোনো প্রকার প্রিমিয়াম ছাড়া ফেসভ্যালু ১০ টাকায় ২ কোটি ২০ লাখ শেয়ার ছেড়ে ২২ কোটি টাকা সংগ্রহ করে।

প্যাসিফিক ডেনিমস কোনো প্রকার প্রিমিয়াম ছাড়া ফেসভ্যালু ১০ টাকায় ৭ কোটি ৫০ লাখ শেয়ার ছেড়ে ৭৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করে।

শেফার্ড ইন্ডাষ্ট্রিজ কোনো প্রকার প্রিমিয়াম ছাড়া ফেসভ্যালু ১০ টাকায় ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে ২০ কোটি টাকা সংগ্রহ করে।

নূরানী ডায়িং অ্যান্ড সোয়েটার কোনো প্রকার প্রিমিয়াম ছাড়া ফেসভ্যালু ১০ টাকায় ৪ কোটি ৩০ লাখ শেয়ার ছেড়ে ৪৩ কোটি টাকা সংগ্রহ করে।

বিবিএস ক্যাবলস কোনো প্রকার প্রিমিয়াম ছাড়া ফেসভ্যালু ১০ টাকায় ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে ২০ কোটি টাকা সংগ্রহ করে।

ভ্যানগার্ড এএমএল রূপালী ব্যাংক ব্যালেন্সড ফান্ড ফেসভ্যালু ১০ টাকায় সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ৯ কোটি ৫০ লাখ ইউনিট ছেড়ে ৯৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করে।

সিএমপিএম বিডিবিএল মিউচ্যুয়াল ফান্ড ওয়ান ফেসভ্যালু ১০ টাকায় সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ৭ কোটি ইউনিট ছেড়ে ৭০ কোটি টাকা সংগ্রহ করে।

এসইএমএল আইবিবিএল শরিয়া ফান্ড ফেসভ্যালু ১০ টাকায় সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ২ কোটি ৫০ লাখ ইউনিট ছেড়ে ২৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করে।

শেয়ারনিউজ/এ.পি/কে.আর