Print
প্রচ্ছদ » বিশেষ সংবাদ

আইটেম ব্যবসায়ীরা কে, কোথায় ?

শফিউল আলম :

লেনদেনের মন্থরতা গত ৫ এপ্রিল থেকে টানা নিম্নমুখী প্রবণতায় রয়েছে দেশের উভয় স্টক এক্সচেঞ্জ। বিগত ১১ কার্যদিবসের ১০ কার্যদিবসেই দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক কমেছে। লেনদেন ও সূচকের ক্রম নিম্নমুখী প্রবণতায় গুজব ছড়ানোর সবচেয়ে বড় হাতিয়ার ফেসবুক থেকে লাপাত্তা হয়ে গেছে আইটেম দাতা ও ব্যবসায়ীদের খুজে পাওয়া যাচ্ছে না।

তাই ফেসবুকেই অক্ষেপ করে ফেসবুক ব্যবহারকারী ইবনা আমিন লিখেছেন, মোমবাতি জ্বালিয়ে মানি ডাবল,ট্রিপল আইটেম দাতাদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, ফেসবুকে ছোট বড় প্রায় ২০০ সক্রিয় গ্রুপ রয়েছে। এছাড়া বেনামে ও নিজ নামে ব্যক্তিগত অসংখ্য অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে উর্ধ্বমুখী বাজারের আইটেম দেয় কারসাজি চক্র। আইটেমের বিপরীতে কেউ টাকা নেয় আবার কেউ ফ্রি আইটেমই প্রদান করে।

কিন্তু বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কিছু কিছু আইটেম দাতা বিশ্লেষনের মাধ্যমে অগ্রিম কিছু তথ্য নিশ্চিত করতে পারলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কারসাজি হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করতে আইটেম দেওয়া হয়।

তারা বলেন, কারসাজি চক্রের হোতারা শেয়ার সংগ্রহের পর বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে কিছু লোকের মাধ্যমে ফেসবুকে গুজুব রটিয়ে তাদের ওই শেয়ারের প্রতি আকৃষ্ট করে। পরবর্তীতে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা প্রবেশ করলে তারা শেয়ার বিক্রি করে অন্য শেয়ারে প্রবেশ করে।

ফেসবুক ব্যবহারকারী হুসাইন কবির লিখেছেন, বাজারের লাল বাতি জ্বলার সাথে সাথে আইটেম ব্যবসায়ীরা বাজারে ছেড়ে হাজার মাইল দূরে চলে গেছে।

বিনিয়োগকারী নাসির জানান, দর পতনের বাজারে সুবিধা করতে না পেরে আইটেম ব্যাপারীরা গাঁ ঢাকা দিয়েছে।


///ঢাকা, ২০ এপ্রিল ২০১৭///