Print
প্রচ্ছদ » বিশেষ সংবাদ

বিনিয়োগে ৯৭ শতাংশ মুনাফা দিল যেসব কোম্পানি!





ঢাকা, ১৬ এপ্রিল ২০১৭:

বিনিয়োগের মূল উদ্দেশ্যই হলো মুনাফার প্রাপ্তি। বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগ করেন শুধুমাত্র মুনাফার আশায়। পুঁজিবাজারের ক্ষেত্রে এর ব্যতিক্রম নয়। কেউ বিনিয়োগ করেন দীর্ঘমেয়াদে আবার কেউ স্বল্পমেয়াদে। কেউ বছর শেষে ডিভিডেন্ড প্রাপ্তির প্রত্যাশায় আবার কেউবা ডে-ট্রেডিংয়ের মাধ্যমে মুনাফা করার আশায়। তবে মুনাফার প্রত্যাশা সবারই থাকে। আর যেসব শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বেশী থাকে সেসব শেয়ারে বিনিয়োগে মুনাফাও বেশী আসে। সদ্য সমাপ্ত সপ্তাহে পাঁচ কোম্পানিতে বিনিয়োগকারীরা ৯৭ শতাংশেরও বেশি মুনাফা করেছেন। যার গড় পরিমাণ ছিল প্রায় ২০ শতাংশ।


সদ্য সমাপ্ত সপ্তাহে এর আগের সপ্তাহের তুলনায় মুনাফা প্রদানের তালিকায় শীর্ষস্থান দখল করেছে বস্ত্র খাতের কোম্পানি রিজেন্ট টেক্সটাইল। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার দর এর আগের সপ্তাহের তুলনায় ৩৩.৭৩ শতাংশ বেড়েছে। আলোচ্য সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ার দর ২৬.১০ টাকা থেকে বেড়ে ৩৩.১০ টাকায় ওঠে আসে। এছাড়া গত এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির শেয়ার দর ১১ টাকা থেকে ৩৪.৫০ টাকার মধ্যে ওঠানামা করে।

‘এ’ ক্যাটাগরির এ কোম্পানিটি ২০১৫ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। এর পরিশোধিত মূলধন ১১৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা ও রিজার্ভের পরিমাণ ১৫৭ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। সর্বশেষ অর্ধবার্ষিকের আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় ০.৫১ টাকায় দাঁড়িয়েছে।

কোম্পানিটির ১১ কোটি ৫৫ লাখ শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের হাতে ৫৪.৫৪ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ৯.২৮ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ৩৬.১৮ শতাংশ রয়েছে।


মুনাফা প্রদানে শীর্ষ ৫ কোম্পানির তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে একই খাতের তুং হাই নিটিং। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার দর এর আগের সপ্তাহের তুলনায় ১৭.৫৮ শতাংশ বেড়েছে। আলোচ্য সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ার দর ১৫.৬০ টাকা থেকে বেড়ে ১৯.৪০ টাকায় ওঠে আসে। এছাড়া গত এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির শেয়ার দর ৯.৪০ টাকা থেকে ১৯.৬০ টাকার মধ্যে ওঠানামা করে।

‘এ’ ক্যাটাগরির এ কোম্পানিটি ২০১৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। এর পরিশোধিত মূলধন ১০৬ কোটি ৬৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও রিজার্ভের পরিমাণ ২১ কোটি ৭২ লাখ টাকা। সর্বশেষ অর্ধবার্ষিকের আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় ০.৪২ টাকায় দাঁড়িয়েছে।
কোম্পানিটির ১০ কোটি ৬৬ লাখ ৫৩ হাজার ৩০টি শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের হাতে ৩০.০৪ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ১৩.৭৪ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ৫৬.২২ শতাংশ রয়েছে।


তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে একই খাতের প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার দর এর আগের সপ্তাহের তুলনায় ১৬.৬৭ শতাংশ বেড়েছে। আলোচ্য সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ার দর ২৫.৭০ টাকা থেকে বেড়ে ২৯.৪০ টাকায় ওঠে আসে। এছাড়া গত এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির শেয়ার দর ১০.২০ টাকা থেকে ২২.৭০ টাকার মধ্যে ওঠানামা করে।

‘এ’ ক্যাটাগরির এ কোম্পানিটি ২০১৩ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। এর পরিশোধিত মূলধন ১১৭ কোটি ৩১ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও রিজার্ভের পরিমাণ ৬৩ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। সর্বশেষ অর্ধবার্ষিকের আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় ০.৭৫ টাকায় দাঁড়িয়েছে।
কোম্পানিটির ১১ কোটি ৭৩ লাখ ১৫ হাজার ৮৭০টি শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের হাতে ৬০.৭৫ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ৯.৬০ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ২৯.৬৫ শতাংশ রয়েছে।


তালিকায় চতুর্থ অবস্থানে থাকা ডেফোডিল কম্পিউটার্সের শেয়ার দর এর আগের সপ্তাহের তুলনায় ১৫.৩৮ শতাংশ বেড়েছে। আলোচ্য সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ার দর ৩৭.৩০ টাকা থেকে বেড়ে ৪২ টাকায় ওঠে আসে। এছাড়া গত এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির শেয়ার দর ১৯ টাকা থেকে ৪৮ টাকার মধ্যে ওঠানামা করে।

‘এ’ ক্যাটাগরির এ কোম্পানিটি ২০০৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। এর পরিশোধিত মূলধন ৪৯ কোটি ৯১ লাখ ২০ হাজার টাকা ও রিজার্ভের পরিমাণ ১২ কোটি ৬০ লাখ টাকা। সর্বশেষ অর্ধবার্ষিকের আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় ১.১৫ টাকায় দাঁড়িয়েছে।

কোম্পানিটির ৪ কোটি ৯৯ লাখ ১২ হাজার ২৬২টি শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের হাতে ৩৬.৯৬ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ৯.০২ শতাংশ, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের হাতে ২.৩২ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ৫১.৭০ শতাংশ রয়েছে।


এছাড়া পঞ্চম অবস্থানে থাকা খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের কোম্পানি ফাইন ফুডসের শেয়ার দর এর আগের সপ্তাহের তুলনায় ১৪ শতাংশ বেড়েছে।





শেয়ারনিউজ/এইচকে