Print
প্রচ্ছদ » জাতীয়

রেলের চার প্রকল্প উদ্বোধন করলেন শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদি




ঢাকা, ০৯ নভেম্বর ২০১৭:

ভিডিও কনফারেন্সে ভারতের ঋণ সহায়তায় নির্মিত দ্বিতীয় ভৈরব ও দ্বিতীয় তিতাস রেলসেতুসহ চারটি প্রকল্প উদ্বোধন করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এসময় ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।বৃহস্পতিবার ঢাকায় গণভবন থেকে শেখ হাসিনা, দিল্লিতে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে নরেন্দ্র মোদি এবং হাওড়ার কার্যালয় নবান্ন থেকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভিডিও কনফারেন্সে যোগ দেন। দিল্লিতে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ। আর ঢাকায় শেখ হাসিনার সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী ও প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম।


ভিডিও কনফারেন্সে খুলনা-কলকাতা রুটের নতুন ট্রেন ‘বন্ধন এক্সপ্রেস’ এবং ঢাকা-কলকাতা রুটের মৈত্রী এক্সপ্রেসের জন্য উভয়প্রান্তে বহির্গমন ও কাস্টমস কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন তারা।


রেল সেতু উদ্বোধনের সময় ভৈরব থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যোগ দেন রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক। কলকাতা রেল স্টেশনের আন্তর্জাতিক টার্মিনালে ছিলেন ভারতীয় রেলের স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। পুরো অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করা হয় দিল্লি থেকে।


১৯৩৭ সালে নির্মিত ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথে ভৈরব ও তিতাসের পুরনো সেতু দুটি ভেঙে ভারতীয় ঋণে নতুন দুটি সেতু নির্মাণ করা হল। এতে ডাবল লাইনে ক্রসিং ছাড়াই ট্রেন চলাচল করতে পারবে এবং যাতায়াতের সময় ১৫ মিনিট কমে আসবে বলে প্রকল্প কর্মকর্তারা জানান।


২০১০ সালের নভেম্বরে একনেকের অনুমোদন পাওয়া এ দুটি প্রকল্পে ব্যয় হয়েছে এক হাজার কোটি টাকা, যার মধ্যে ভারত ঋণ ৮২৬ কোটি ২০ লাখ টাকা দিয়েছে। আশুগঞ্জ ও ভৈরবে মেঘনা নদীর ওপর ডুয়েল গেজ রেলসেতুটির দৈর্ঘ্য ৯৮২ দশমিক ২ মিটার। আর দ্বিতীয় তিতাস রেলসেতু ২১৮ মিটার দীর্ঘ।


মৈত্রী এক্সপ্রেসে ঢাকা থেকে কলকাতা যেতে বা আসার পথে এতদিন যাত্রীদের ইমিগ্রেশন ও কাস্টমসের আনুষ্ঠানিকতা সারতে হত চুয়াডাঙ্গার দর্শনা ও মুর্শিদাবাদের গেদে সীমান্তে। এখন থেকে বাংলাদেশ অংশের ইমিগ্রেশন সম্পন্ন হবে ঢাকা ছাড়ার আগেই। গন্তব্য শেষে কলকাতায় হবে ভারতীয় অংশের ইমিগ্রেশন। তাতে যাত্রার সময় কমে আসবে তিন ঘণ্টা; যাত্রীদের ভোগান্তিও কমবে।


আর খুলনা-কলকাতা রুটের নতুন ট্রেন বন্ধন এক্সপ্রেস বৃহস্পতিবার থেকে চালু হচ্ছে পরীক্ষামূলকভাবে। এর নিয়মিত যাত্রা শুরু হবে ১৬ নভেম্বর থেকে।





শেয়ারনিউজ/