Print
প্রচ্ছদ » জাতীয়

রপ্তানি বাড়লেও পোষাকের দাম বাড়েনি: বানিজ্যমন্ত্রী




ঢাকা, ১৯ আগস্ট ২০১৭:

রপ্তানিকৃত বাংলাদেশি তৈরি পোশাক পণ্যের দাম বাড়েনি জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। ওই সময়ের পর থেকে তৈরি পোশাক রপ্তানির বেশি হলেও দাম কম হওয়ায় আয় সেভাবে বাড়েনি বলেও দাবি তার।আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর ইস্কাটনে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের (বিআইআইএসএস) সভা কক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।‘বাংলাদেশ ইন রিজিওনাল ট্রেড অ্যান্ড কানেকটিভিটি এ পলিটিকো-ইকোনোমিক অ্যাসেসমেন্ট’ শীর্ষক আলোচনা সভা আয়োজন করে সেন্টার ফর গর্ভনেন্স স্টাডিজ (সিজিএস) ।


আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রফেসর আতাউর রহমান। সভায় সাবেক মন্ত্রী চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, প্রবীন রাজনীতিবিদ আসম রব, ডা. জাফরুল্লাহ, অর্থনীতিবিদ মামুনুর রশীদ, নাসির উদ্দিন, সাবেক এনবিআর চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ, সিজিএস নির্বাহী পরিচালক জিল্লুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।


সভায় বক্তারা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্বার্থে সব রাজনৈতিক দলগুলোকে একসঙ্গে কাজ করার আহবান জানান।


পশ্চিমা ক্রেতাদের জোট অ্যাকর্ড-অ্যালায়েন্সের সমালোচনা করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, রানা প্লাজা দুর্ঘটনার পর ক্রেতারা তৈরি পোশাকের কোনো দাম বাড়ায়নি। অথচ অ্যাকর্ড-অ্যালায়েন্সের পরামর্শে আমরা গ্রীন কারখানা, ফায়ার সেফটিসহ সব কিছু করলাম। কিন্তু তারা পোশাকের দাম বাড়ায়নি।তিনি বলেন, বিশ্বের কোথাও অ্যাকর্ড-অ্যালায়েন্স নেই। আমি তাদের বলছি, আপনারা শুধু বাংলাদেশে কেন, ভিয়েতনাম, চীন যাচ্ছেন না কেন ?


তোফায়েল আহমেদ বলেন, একমাত্র বাংলাদেশেরই প্রধান রাজনৈতিক দলের ঐক্য নেই। জাতীয় অর্থনৈতিক স্বার্থে অনেক দেশেই রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্য রয়েছে।তিনি বলেন, বিগত সাড়ে ৮ বছরে দেশে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। বাংলাদেশের অর্থনীতি বিস্ময়কর উথান হয়েছে। ২০২১ সালে সূবর্ণজয়ন্তীতে বাংলাদেশ ডিজিটাল মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হবে।


বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, কোন দেশ তার দেশি শিল্পের স্বার্থকে জলাঞ্জলি দেয় না। সব দেশই নিজের শিল্পকারখানাকে এগিয়ে নিতে চায। এটা ঠিক ভারত দুটো পণ্য ছাড়া সব পণ্যে কোটা ফি, ডিউটি ফি সুবিধা দেয়। আমাদের পাটের রপ্তানীর ২০ শতাংশই ভারতে রপ্তানি হয়। তাই ভারত পাটজাত পণ্যে অ্যান্টি ড্যাম্পিং শুল্ক আরোপ করেছে, তবে কাঁচা পাটে নয়। কারণ কাঁচাপাট তাদের বেশি দরকার। আমরা অ্যান্টি ড্যাম্পিং শুল্ক প্রত্যাহারের জন্য কথা বলেছি, আরো বলবো।তিনি বলেন, আমরাও দেশি শিল্পের স্বার্থ সংরক্ষণে কাজ করছি। ৯৬ সালে আমি যখন শিল্পমন্ত্রী তখন ৯ লাখ টন সিমেন্ট উৎপাদন হত। এবার হবে ৩০ মিলিয়ন বা ৩ কোটি টন সিমেন্ট। এটা একদিনে হয়নি। ঐ সময়ে ফিনিক্স সিমেন্টের উপর ডিউটি বাড়িয়ে দিলাম, কংক্রিটের উপর কমিয়ে দিলাম।


তোফায়েল আহমেদ বলেন, এখন লাফার্জ দেখছেন-এদের জমি ঠিক করে দেওয়া, ৭ বছর ডিউটি ফি আমরা করে দিয়েছি। তারপরে স্ক্যান সিমেন্ট, শাহ সিমেন্ট, মেঘনাসহ অনেক বড় কোম্পানি হয়েছে। সবগুলোকে আমরা সব ধরণের সহায়তা দিয়েছি।





শেয়ারনিউজ/এআর