Print
প্রচ্ছদ » অর্থনীতি

এবি ব্যাংকের ৫ কর্মকর্তাকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ





ঢাকা, ০২ জানুয়ারি ২০১৮:

অর্থ পাচারের অভিযোগে এবি ব্যাংকের পাঁচ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত দুদকের প্রধান কার্যালয়ে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলে।


যে পাঁচ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে তারা হলেন- ব্যাংকের হেড অব করপোরেট মাহফুজ উল ইসলাম, হেড অব অফশোর ব্যাংকিং ইউনিট (ওবিইউ) মোহাম্মদ লোকমান, ওবিইউর কর্মকর্তা মো. আরিফ নেয়াজ, কোম্পানি সচিব মাহদেব সরকার সুমন ও প্রধান কার্যালয়ের কর্মকর্তা এমএন আজিম।


জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তারা মিডিয়াকে এড়িয়ে চলে যান। তবে এদের মধ্যে ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয়ের কর্মকর্তা এম এন আজিমের সাথে কথা বলার চেষ্টা করা হলে তিনি বলেন, 'আমি আপনাদের কাছে মাফ চাই। এ বিষয় নিয়ে কোনো কথা বলতে চাই না।'


দুদকের পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন ও সহকারী পরিচালক গুলশান আনোয়ার তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এই দুই কর্মকর্তা এবি ব্যাংকের অর্থ পাচারের অভিযোগটি অনুসন্ধান করছেন।এর আগে অর্থ পাচারের ওই অভিযোগে গত ২৮ ডিসেম্বর ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান এম ওয়াহিদুল হক ও সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম ফজলার রহমানকে এবং ৩১ ডিসেম্বর ব্যাংকটির সাবেক এমডি শামীম আহমেদ চৌধুরী ও ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশন অ্যান্ড ট্রেজারি শাখার প্রধান আবু হেনা মোস্তফা কামালকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।


এদিকে, একই অভিযোগে আগামী ৭ জানুয়ারি ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদের ছয় সদস্যকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুদক তলব করেছে। পরিচালকরা হলেন- শিশির রঞ্জন বোস, মেজবাহুল হক, ফাহিমুল হক, সৈয়দ আফজাল হাসান উদ্দিন, রুনা জাকিয়া ও মো. আনোয়ার জামিল সিদ্দিকী।


এছাড়া ব্যাংকটির গ্রাহক ও অর্থ পাচারের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে সাইফুল হক নামে এক ব্যবসায়ীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৪ জানুয়ারি তলব করা হয়েছে।অর্থ পাচারের ঘটনায় ব্যাংকটি ঊর্ধ্বতন ১২ কর্মকর্তার বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে দুদক।


দুদক সূত্রে জানা যায়, সিঙ্গাপুর ভিত্তিক একটি অফসোর কোম্পানি খোলার নাম করে দুবাইয়ের পিজিএফ নামের একটি প্রতিষ্ঠানে ১৬৫ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগে তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।



শেয়ারনিউজ/