Print
প্রচ্ছদ » অর্থনীতি

রেকর্ড ছাড়িয়েছে জিডিপির প্রবৃদ্ধি অর্জন




ঢাকা, ১৪ নভেম্বর ২০১৭:

অতীতের সকল রেকর্ড পেছনে ফেলে চলতি অর্থ বছর রেকর্ড পরিমাণে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে বাংলাদেশ। ফলে মাথাপিছু আয়ের পাশাপাশি মানুষের ক্রয়ক্ষমতাও বেড়েছে। একনেক সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।


সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল সাংবাদিকদের জানান, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ৭ দশমিক ১০ শতাংশ, যার দশমিক ১৮ শতাংশ বেশি অর্জিত হয়েছে। জিডিপি অর্জিত হয়েছে ৭ দশমিক ২৮ শতাংশ যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি । আর দেশবাসীর মাথাপিছু আয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৬১০ মার্কিন ডলার। প্রতি ডলার ৮০ টাকা ধরে বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১ লাখ ২৮ হাজার ৮০০ টাকা।


ফলে জিডিপি’র আকার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। দেশ স্বাধীনের পর জিডিপি’র আকার ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়াতে যেখানে সময় লেগেছিল ৩৪ বছর, সেখানে এ অর্জন রেকর্ড পরিমাণ।


২০১৬-১৭ অর্থবছরের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে এসব তথ্য প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)। জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) মঙ্গলবারের (১৪ নভেম্বর) সভায় বিবিএসের এ প্রতিবেদন তুলে ধরা হয়।


গত অর্থবছরে (২০১৬-১৭) মাথাপিছু আয় ৮ ডলার বেড়েছে। আগের অর্থবছরে (২০১৬-১৭) মাথাপিছু আয় ছিলো ১ হাজার ৬০২ ডলার বা প্রায় ১ লাখ ২৮ হাজার ১৬০ টাকা। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ছিলো ১ হাজার ৩১৬ ডলার।


পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, মূলত জিডিপি’র প্রবৃদ্ধি বাড়ার কারণেই মানুষের গড় মাথাপিছু আয়ও বেড়েছে। গুরুত্বপূর্ণ তিনটি খাতের মধ্যে কৃষিখাতে ২ দশমিক ৯৭ শতাংশ, শিল্পখাতে ১০ দশমিক ২২ শতাংশ ও সেবাখাতে ৬ দশমিক ৬৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে।


আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, এটি আমাদের নতুন ইতিহাস। ২০১৯ সালে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৮ শতাংশের ওপরে যাবে। আশা করছি, ২০৩০ সালের মধ্যে এ হার ৯ থেকে ১০ শতাংশের মধ্যে থাকবে। তাহলেই আমরা আমাদের ২০৪১ সালের প্রকৃত লক্ষ্য অর্জন করতে পারবো।




শেয়ারনিউজ/