Print
প্রচ্ছদ » অর্থনীতি

ইলিশ ধরা ও বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা

ঢাকা, ১ অক্টোবর ২০১৭:

সারা দেশে শনিবার মধ্যরাত থেকে ইলিশ ধরা, পরিবহন, মজুদ, বাজারজাতকরণ বা বিক্রয় নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আজ থেকে ২২ দিন এ নিষেধাজ্ঞা থাকবে।

গত ১৯ সেপ্টেম্বর মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। একই সঙ্গে, প্রধান প্রজনন মৌসুমে ইলিশ মাছ সংরক্ষণের জন্য এই ২২ দিন মাছ ধরা ও বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারি কার্যকর করতে নৌপুলিশও বদ্ধপরিকর।

নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ১৯৫০ সালের মাছ রক্ষা ও সংরক্ষণ আইন (প্রটেকশন অ্যান্ড কনজারভেশন ফিশ অ্যাক্ট, ১৯৫০) অনুযায়ী, এ বছর ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম ১ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ২২ দিন (১৬ আশ্বিন থেকে ৭ কার্তিক) সারা দেশে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুদ, বাজারজাতকরণ বা বিক্রয় নিষিদ্ধ করা হলো।

নিষিদ্ধের সময় গত বছর সাত দিন বাড়িয়ে ২২ দিন করা হয়। এর আগে এ সময় ছিল ১৫ দিন। ২০১৫ সালের আগে ইলিশ ধরা নিষিদ্ধের সময় ছিল ১১ দিন। কেউ এ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে তাকে কমপক্ষে এক বছর থেকে সর্বোচ্চ দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড বা ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চন্দ্র মাসের ভিত্তিতে প্রধান প্রজনন মৌসুম ধরে এ বছর আশ্বিন মাসের চাঁদের প্রথম পূর্ণিমার দিন এবং এর আগে ৪ ও পরের ১৭ দিনসহ ২২ দিন ইলিশ ধরা বন্ধ থাকবে। এবার ৫ অক্টোবর প্রথম পূর্ণিমা।

এদিকে, বুধবার রাজধানীর পাইকপাড়ায় নৌপুলিশের সদর দপ্তরে নদী এলাকায় পুলিশের গৃহীত ব্যবস্থা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণসংক্রান্ত এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। নৌপুলিশের প্রধান ডিআইজি শেখ মুহম্মদ মারুফ হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই ২২ দিন ইলিশ ধরা ও বিক্রি বন্ধ করতে জনসচেতনতা বাড়াতে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সভা, সমাবেশ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সভায় সিদ্ধান্ত হয়, ইলিশ প্রজনন মৌসুমে দেশব্যাপী ইলিশ আহরণ, বিপণন, ক্রয়-বিক্রয়, মজুদ ও বিনিয়ম নিষিদ্ধসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করবে নৌপুলিশ। এর পাশাপাশি স্থানীয় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতকে সহযোগিতা করবে নৌপুলিশ। এই অভিযান রাতেও পরিচালনা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ছে। অবৈধ পথে ইলিশ পাচাররোধেও নৌপুলিশের টহল জোরদার থাকবে বলে বৈঠকে জানানো হয়।

শেয়ারনিউজ/