Print
প্রচ্ছদ » অর্থনীতি

বস্ত্র খাতে প্রণোদনা সুবিধা বেড়েছে

ঢাকা, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭:

বস্ত্র খাতের কম্পোজিট (যারা একই সঙ্গে ফেব্রিকস ও পোশাক তৈরি করেন) মিলের রফতানিকারকরা নিজস্ব প্রতিষ্ঠান ছাড়া অন্য প্রতিষ্ঠান থেকে বস্ত্র তৈরি করলেও এখন থেকে নগদ সহায়তা পাবেন। আগে শুধু নিজস্ব প্রতিষ্ঠানে বস্ত্র তৈরি করলে এ সহায়তা পেতেন। মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগের উপ-মহাব্যবস্থাপক আব্দুল মান্নান স্বাক্ষরিত সার্কুলারে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

জানতে চাইলে একই বিভাগের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ আরাফাত আলী বলেন, বস্ত্র খাতের কম্পোজিট মিলের রফতানি কারকদের প্রণোদনা বেড়েছে। আগে নিজস্ব প্রতিষ্ঠানে বস্ত্র তৈরি করলে নগদ সহায়তা পেতেন। এখন থেকে অন্য প্রতিষ্ঠানে বস্ত্র তৈরি করলেও সে সুবিধা পাবেন।

সার্কুলারে বলা হয়, রফতানিমুখী কম্পোজিট তৈরি পোশাক উৎপাদনকারী-রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান অভ্যন্তরীণ ব্যাক টু ব্যাক ঋণপত্রের (এলসি) মাধ্যমে বিটিএমএ সদস্য মিল থেকে সুতা সংগ্রহ করে অন্য প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে উৎপাদিত বস্ত্র থেকে প্রস্তুতকৃত পোশাক রফতানির বিপরীতে সংশ্লিষ্ট প্রাপক পক্ষ নগদ সহায়তা পাবে। এরই প্রেক্ষিতে আবেদন ফরম ‘খ’ তে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনা হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর জারিকৃত পণ্যের রফতানির বিপরীতে নগদ সহায়তার আবেদনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। তবে যে সকল ক্ষেত্রে ইতিমধ্যে আবেদনপত্র দাখিলের নির্ধারিত ১৮০ দিনের সময়সীমা অতিক্রান্ত হয়েছে, সে সকল ক্ষেত্রে এ সার্কুলার জারির ৪৫ দিনের মধ্যে আবেদন দাখিল করা যাবে। এছাড়া এ সংক্রান্ত আগের সব নির্দেশনা অপরিবর্তিত থাকবে।

শেয়ারনিউজ/