Print
প্রচ্ছদ » শেয়ারবাজার

ঢাকা, ১০ জানুয়ারি ২০১৮:

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সুহূদ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডকে স্থগিতকৃত বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আয়োজনের অনুমোদন দিয়েছেন হাইকোর্ট। আগামী ২ ফেব্রুয়ারি কোম্পানিটির এজিএম অনুষ্ঠিত হবে বলে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে জানা গেছে। তবে এজিএমের স্থান ও সময় পরে জানানো হবে।

এর আগে নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও অন্যান্য এজেন্ডা অনুমোদনের জন্য গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর বেলা ১১টায় গাজীপুরের কোনাবাড়িতে অবস্থিত মেঘের ছায়া কনভেনশন সেন্টারে কোম্পানির ১৩তম এজিএম আহ্বান করেছিল সুহূদ ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালনা পর্ষদ। অনিবার্য কারণে পরে তা স্থগিত করা হয়। রেকর্ড ডেট ছিল ৩০ নভেম্বর।

লোকসানের কারণে সর্বশেষ ৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৭ হিসাব বছরের জন্য কোনো লভ্যাংশ সুপারিশ করেনি কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ। আলোচ্য সময়ে শেয়ারপ্রতি ৫৭ পয়সা লোকসান হয়েছে কোম্পানিটির। এর আগের ২০১৫-১৬ হিসাব বছরেও কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটি। সে বছর শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ৪ পয়সা।

এদিকে চলতি ২০১৭-১৮ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-ডিসেম্বর) শেয়ারপ্রতি ১৮ পয়সা লোকসান দেখিয়েছে সুহূদ ইন্ডাস্ট্রিজ। আগের বছরের একই সময় শেয়ারপ্রতি ১ পয়সা মুনাফায় ছিল কোম্পানিটি। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ পর্যন্ত কোম্পানির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ৩২ পয়সা।

ডিএসইতে সর্বশেষ ১৪ টাকা ৮০ পয়সায় সুহূদ ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ার লেনদেন হয়। সমাপনী দর ছিল ১৪ টাকা ৮০ পয়সা, আগের কার্যদিবসে যা ছিল ১৪ টাকা ৯০ পয়সা। গত এক বছরে শেয়ারটির সর্বোচ্চ দর ছিল ১৮ টাকা ২০ পয়সা ও সর্বনিম্ন ৮ টাকা।

২০১৪ সালে শেয়ারবাজারে আসার আগে মুনাফায় থাকলেও ২০১৫ সাল থেকেই লোকসান দেখাচ্ছে সুহূদ ইন্ডাস্ট্রিজ। বর্তমানে কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধন ৫২ কোটি ১৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা। রিজার্ভ ১০ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। কোম্পানির মোট শেয়ারের মাত্র ১৩ দশমিক ৭২ শতাংশ এর উদ্যোক্তা-পরিচালকদের কাছে। বাকি সব শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।

উল্লেখ্য, শেয়ারবাজারে আসার পর কোম্পানির পর্ষদের দখল নিয়ে পরিচালকদের দুই পক্ষের দ্বন্দ্ব আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছিল। চলতি বছর সমঝোতার ভিত্তিতে একপক্ষ পর্ষদ থেকে সরে যায়।