Print
প্রচ্ছদ » শেয়ারবাজার

বাজারে কারেকশন : প্যানিক হওয়ার কারণ নেই

ঢাকা, ১৭ জুলাই ২০১৭:

সূচকের অব্যাহত উত্থানে ৫৮০০ অতিক্রম করে রেকর্ড গড়েছে পুঁজিবাজার। তার পরেও বেড়েছে সূচক। কিন্তু সোমবার সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচক ও লেনদেন উভয় কমেছে।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অব্যাহত উত্থানের পর সূচক ও লেনদেনের পতন স্বাভাবিক। পুঁজিবাজারের ভাষায়, সূচক ও লেনদেনের এমন পতনকে কারেকশন বলে। এতে প্যানিক হওয়ার কোন কারণ নাই।

জানা যায়, সোমবার ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে এক হাজার ১৪৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন ছিল এক হাজার ২৬৩ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। ওইদিন সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৬৩ কোটি ৫১ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন ছিল ৭৪ কোটি ১৪ লাখ টাকা।

সোমবার ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩২৯টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ৮২টির, কমেছে ২১৪টির এবং অপরিবর্তিত আছে ৩৩টির। ওইদিন সিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৬৯টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ৭৯টির, কমেছে ১৬৬টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৪টির।

সূচক ডিএসইএক্স ২০ দশমিক ২৯ পয়েন্ট কমে অবস্থান করেছে পাঁচ হাজার ৮২৪ দশমিক ৪২ পয়েন্টে। ডিএসইএস সূচক ৩ দশমিক ২৭ পয়েন্ট কমে অবস্থান করেছে এক হাজার ৩২৪ দশমিক ১৩ পয়েন্টে। ডিএসই৩০ সূচক দশমিক ৩৩ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে দুই হাজার ১৩৩ দশমিক শূন্য ৩ পয়েন্টে।

অপরদিক, সোমবার চট্টগ্রামে সূচক সিএসইএক্স ৪৭ দশমিক ১৮ পয়েন্ট কমে অবস্থান করেছে ১০ হাজার ৯০৫ দশমিক ৪৬ পয়েন্টে। সিএসই৫০ সূচক কমেছে ৪ দশমিক ৮১ পয়েন্ট, সিএসই৩০ সূচক কমেছে ৩০ দশমিক ৬৯ পয়েন্ট, সিএএসপিআই কমেছে ৭৫ দশমিক ৯৯ পয়েন্ট ও সিএসআই কমেছে ৬ দশমিক ১৯ পয়েন্ট।

টাকার অঙ্কে ডিএসইতে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে কনফিডেন্স সিমেন্ট শেয়ারে। এদিন কোম্পানির ৫৮ কোটি ২৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। লেনদেনে দ্বিতীয় স্থানে থাকা ইফাদ অটোস ৫৩ কোটি ৪ লাক টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ৩৭ কোটি ৩৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন করে তৃতীয় স্থানে আছে কেয়া কসমেটিকস।

৩৬ কোটি ৭৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন করে চতুর্থ স্থানে আছে মবিল যমুনা। ৩৪ কোটি ১২ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন করে পঞ্চম স্থানে আছে সিমটেক্স। এরপর আছে- বিবিএস, ডরিন পাওয়ার, লংকাবাংলা ফাইন্যান্স, আফতাব অটো ও ফু-ওয়াং ফুড।

শেয়ারনিউজ/ডেস্ক/কে.আর