ঢাকা, জানুয়ারি ২৯: আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ আজ বলেছেন, জামায়াত-শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে হলে জনমতের ভিত্তিতে জাতীয় ঐকমত্য প্রয়োজন।
তিনি বলেন, ‘দেশের মানুষ যদি চায় এবং সবাই যদি একটা ঐক্যমতে পৌঁছায় তাহলে সরকার তা বাস্তবে রূপ দেবে।’
হানিফ সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমন করার লক্ষ্য বাস্তবায়নে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকল অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক শক্তি, সুশীল সমাজ, বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক, কৃষিবিদ, প্রকৌশলী, চিকিৎসক, পেশাজীবী, সংস্কৃতিসেবী, শ্রমিক, কৃষক, নারী, ছাত্র, যুবক, তরুণ সমাজসহ সর্বস্তুরের জনগণ ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনকে ব্যাপকভাবে সামিল হবার আহ্বান জানান।
মাহবুব-উল আলম হানিফ আজ মঙ্গলবার দুপুরের আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডিস্থ রাজনৈতিক কার্যালয়ে দেশব্যাপী জামায়াত-শিবিরের তান্ডবের প্রতিবাদে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ সব কথা বলেন।
‘বর্তমান সরকারের সময়ে হিজবুত তাহরীর মত সংগঠন নিষিদ্ধ হলে ছাত্র শিবিরকে কেন নিষিদ্ধ করা হচ্ছে না’ সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, দেশের প্রধান বিরোধী দল যদি এ ধরণের ফ্যাসিষ্ট সংগঠনকে উস্কানি দেয়। তাদেরকে সাথে নিয়ে রাজপথে ধংসাত্মক কর্মকান্ড চালায়। সেক্ষেত্রে এদেরকে নিষিদ্ধ করতে সরকার প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হয়।
জামায়াত-শিবিরের আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই মুহুর্তে আমরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শেষ করতে চাই। পরে জামায়াত-শিবিরসহ সকল জঙ্গী সংগঠনগুলোর অর্থদাতা, ইন্ধনদাতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সোমবার সচিবালয়ের কাছে জামায়াত-শিবিরের তান্ডবের ঘটনা গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ব্যর্থতা নয় দাবী করে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি বলেন, এ ধরণের ঘটনায় গোয়েন্দা ব্যর্থতা বলা যাবে না। পুলিশের ধাওয়া খেয়ে তারা সংরক্ষিত এলাকায় প্রবেশ করে।
তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ধৈর্য্যের সাথে তা মোকাবেলা করেছে। তারা কঠোর হলে প্রাণহানির মত ঘটনা ঘটতে পারতো। ভবিষ্যতে এ ধরণের ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ শক্তি প্রয়োগ করবে।