ঢাকা, জানুয়ারি ২৯: পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) মার্চেন্ট ব্যাংকসমুহের ২০১২ সমাপ্ত বছরের পুণঃমূল্যায়নজনিত ক্ষতির (আনরিয়েলাইজড লস) প্রভিশনের জন্য কিছুটা ছাড় দিয়েছে। এতে আনরিয়েলাইজড লসের ক্ষেত্রে নিয়মানুযায়ী ১০০ ভাগের পরিবর্তে ২০ শতাংশ হারে প্রভিশন রাখতে পারবে এসব প্রতিষ্ঠান। তবে তা ২০১২ সালের ৩১ ডিসেম্বর থেকে ২০১৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সমান ৫টি ত্রৈমাসিক অংশে রাখতে হবে।
আজ মঙ্গলবার বিএসইসি’র এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিএসইসি’র নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো (যার জন্য প্রযোজ্য) নিজস্ব পোর্টফোলিওতে ২০১২ সালের সমাপ্ত বছরে ধারণকৃত শেয়ারের পুণঃমূল্যায়জনিত অনাদায়কৃত ক্ষতির বিপরীতে ৫টি কিস্তিতে প্রভিশন রাখতে পারবে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স এসোসিয়েশন (বিএমবিএ) গত ২২ জানুয়ারি এ বিষয়ে একটি আবেদন করে। বিএমবিএ’র ওই আবেদন এবং সিডিউল ব্যাংকগুলোর ধারণকৃত শেয়ারের পুণঃমূল্যায়জনিত ক্ষতির প্রভিশন সংরক্ষণ সংক্রান্ত সম্প্রতি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গৃহীত সিদ্ধান্তটি বিবেচনা করে কমিশন মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর নিজস্ব পোর্টফোলিওতে ধারণকৃত শেয়ারের মূল্যহ্রাসজনিত ক্ষতির বিপরীতে প্রভিশন সংরক্ষণের জন্য এ সুবিধা দিয়েছে।
এ সুবিধা শুধু ২০১২ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত বছরের জন্য পুণঃমূল্যায়নজনিত ক্ষতির প্রভিশনের জন্য প্রযোজ্য হবে। এর পরবর্তী (২০১৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে) সময়ের জন্য প্রভিশন যথানিয়মে সংরক্ষণ করতে হবে। যেসব মার্চেন্ট ব্যাংক প্রভিশন সংরক্ষণের সুবিধা গ্রহণ করবে তারা ওই আর্থিক বছরের জন্য কোনো ধরণের নগদ লভ্যাংশ প্রদান করতে পারবে না।
প্রসঙ্গত, এর আগে বাংলাদেশ ব্যাংক পুঁজিবাজারে ব্যাংকগুলোর ধারণকৃত শেয়ারের পুণঃমূল্যায়জনিত ক্ষতির বিপরীতে ২০ শতাংশ হারে প্রভিশন রাখার সুবিধা দেয়।